নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। আর আমদানিকে উৎসাহ দিতে সম্পূরক শুল্ক ৬২ থেকে কমিয়ে করা হয়েছে ৫ শতাংশ। এই শুল্ক ছাড়ের মেয়াদ চলতি মাসেই শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা বাড়ানো হয়েছে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত।
এ অবস্থায় বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে বেড়েছে চালের আমদানি। যার প্রভাবে যশোর অঞ্চলের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজিতে দাম কমেছে ৪ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত।
চাল ব্যবসায়ীরা জানান, গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে ৪-৫ টাকা কমে কিনেছি, কমে বিক্রি করছি। আমদানি করা এসব চাল মানসম্মত হলেই বন্দর থেকে ছাড়পত্র দেয়া হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা হেমন্ত কুমার সরকার বলেন, আমাদানি চালের গুণগতমান পরীক্ষা করে সব ঠিক থাকলে ছাড়পত্র দেয়া হচ্ছে।
গত ১৩ জুলাই থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৯৯ হাজার ৭০০ টন সিদ্ধ ও সাড়ে ৭ হাজার টন আতপ চাল আমদানি করা হয়েছে।