নিজস্ব প্রতিবেদক
বুধবার সকালে জয়তী সোসাইটিতে ৬০ ঊর্ধ্ব মায়েদের মাঝে ইফতার সামগ্রী ও ঈদ উপহার প্রদান অনুষ্ঠান হয়েছে। ‘বৃদ্ধাশ্রম নয়, পরিবারই হোক বয়স্কদের জন্য নিরাপদ আনন্দ আশ্রম’ এই উদ্দেশ্যকে সামনে নিয়ে সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি, সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিয়ে জয়তী সোসাইটির ৬০ ঊর্ধ্ব নারীসেবা কর্মসূচির বাস্তবায়ন কমিটি এই বয়ষ্ক মায়েদের পাশে দাঁড়ায়। প্রতি বছর মাহে রমজান ও ঈদ উপলক্ষে ইফতার সামগ্রী ও ঈদ উপহার প্রদান করা হয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় কর্মসূচির চারশত জন মায়ের প্রত্যেককে মাথাপিছু ১৫ কেজি চাউল, নতুন শাড়ি, ব্লাউজ, পেটিকোট, এককেজি ছোলা, এককেজি চিনি, ৫শ গ্রাম চিড়া ও ৫শ গ্রাম মুড়ি প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মুনা আফরিন, সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার জিএম জুলফিকার আব্দুল্লাহ, দৈনিক স্পন্দন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মাহাবুব আলম লাভলু, ডিভাইন গ্রুপের প্রতিনিধি ও জজ কোর্ট যশোরের এ্যাডভোকেট তজিবর রহমান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহসভাপতি এ জেড এম সালেক, নাসিব যশোরের সভাপতি সাকির আলী, সমাজসেবক এবিএম রফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন কর্মসূচির সদস্য কাজী লুৎফুন্নেছা। ধন্যবাদ বক্তব্য প্রদান করেন কর্মসূচির সম্পাদক ও জয়তী সোসাইটির পরিচালক অর্চনা বিশ^াস। সমগ্র অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জয়তী সোসাইটির সভাপতি ও জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আজাদুল কবির আরজু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সংস্থার ইউনিট ম্যানেজার বর্ণালী সরকার।
এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক সালেহা খাতুন, শুভ্র মৎস্য হ্যাচারীর প্রোপাইটর সাইফুজ্জামান মজু ও মুজিব সড়কের গাজী ফার্মেসির প্রোপাইটর গাজী সিরাজ। উপস্থিত ছিলেন কর্মসূচির সভাপতি নূরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি এ্যাড. সালেহা বেগম, সহ-সম্পাদক পরিতোষ কুমার বিশ^াস, সদস্য মবিনুল ইসলাম মবিন, কোষাধ্যক্ষ ফিরোজা খাতুন। আরো উপস্থিত ছিলেন জয়তী সোসাইটির সকলকর্মী ও কর্মকর্তাবৃন্দ।
উল্লেখ্য, মধুর আমার মায়ের হাসি চাঁদের মুখে ঝরে, মাকে মনে পড়ে আমার মাকে মনে পড়ে এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২০০৮ সালের ৮ মার্চ ১১৩ জন দুঃস্থ ৬০ ঊর্ধ্ব মাকে নিয়ে জয়তী সোসাইটি শুরু করে জয়তী ৬০ ঊর্ধ্ব নারীসেবা কর্মসূচি। বর্তমানে এই কর্মসূচির মায়েদের সংখ্যা চারশত জন।
