নিজস্ব প্রতিবেদক
ডা. আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজের রজত জয়ন্তী উৎসব শুরু হচ্ছে আজ। দুইদিন ব্যাপী এই মিলনমেলায় অংশ নিতে প্রায় সহস্রাধিক সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা নিবন্ধন করেছেন। মিলনমেলা উপলক্ষে কলেজের খেলার মাঠে বড় আকারের সুদৃশ্য প্যান্ডেল করা হয়েছে। শেষ হয়েছে সাজসজ্জাসহ শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। নবীন-প্রবীণের এই মিলনমেলায় দুই দিনই মঞ্চ মাতাবেন যশোরসহ দেশের প্রখ্যাত শিল্পীরা।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে রজতজয়ন্তী উদযাপনের উদ্যোগ নেয় ডা. আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজ। এ উপলক্ষে আজ বিকাল থেকে ক্যাম্পাসে চলবে দুই দিনব্যাপী নানা আয়োজন। রজতজয়ন্তী উদ্যাপন উপলক্ষে আজ বিকাল সাড়ে তিনটায় বিতরণ করা হবে উপহার সামগ্রী, সাড়ে ৪ টায় র্যালি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সন্ধ্যা ও রাতে খাবার বিতরণ। দ্বিতীয়দিন শনিবার সকাল ৭ থেকে ৯টায় বিতরণ করা হবে উপহার সামগ্রী ও সকালের নাস্তা, ১০ টায় শোভাযাত্রা। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করবেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য।
কলেজের অধ্যক্ষ জেএম ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, ১৯৯৭ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে সে সময় এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। তৎকালীন সংসদ সদস্য ও পৌর চেয়ারম্যান আলী রেজা রাজু, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মো. শরীফ হোসেন, প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান, প্রফেসর শমসের আলী, প্রফেসর ড. মুস্তাফিজুর রহমানসহ যশোরের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও প্রশাসনের সক্রিয় সহযোগিতায় কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। যশোর পৌরসভার ৭৫ শতক জমি দান এবং কনকর্ড গ্রুপ অব কোম্পানির সত্ত্বাধিকারী এসএম কামাল উদ্দীনের আর্থিক সহায়তায় কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। আর তাই কলেজটি তার বাবার নামে ও পৌরসভা থেকে জমি দেয়ার কারণে নাম দেয়া হয় ডা. আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজ। ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ওই বছরের শেষের দিকে যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি পায় কলেজটি। প্রতিষ্ঠাকালীন থেকে এ পর্যন্ত উচ্চ মাধ্যমিক, স্মাতক, অনার্স সম্মান শেষ করে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কলেজটির প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আজ থেকে দুইদিন ব্যাপী কলেজের সাবেক, বর্তমান শিক্ষার্থী-শিক্ষকরা মিলনমেলায় মাতবে। নাচ-গান স্মৃতিচারণসহ নতুন এক উৎসবে রূপ নিবে কলেজ ক্যাম্পাস।
