নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাদা বলে নিয়মিত মুখ আফিফ হোসেন ধ্রুব। আফিফ হোসেন ধ্রুবের সাথে ২০১৮ যুব বিশ^কাপ মাতানো নাইম শেখ, সাইফ হাসান, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, নাইম হাসান ও হাসান মাহমুদদের অভিষেক হয়েছে জাতীয় দলে। ওই দলে খেলা পিনাক ঘোষ, তৌহিদ হৃদয়, মাহিদুল ইসলাম ভুঁইয়া অঙ্কন, কাজী অনিক ইসলামরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন দেশের শীর্ষ ক্রিকেটে। বিশ^কাপ ওই দলে রিজার্ভ বেঞ্চ গরম করে রেখেছিলেন ডানহাতি পেসার রনি হোসেন।
বিশ্বকাপ থেকে আসার পর ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের ব্রাদার্স ইউনিয়নের হয়ে খেলেছিলেন দুই ম্যাচ। এরপর থেকে নিজেকে খুঁজে ফিরছিলেন যশোরের ঝিকরগাছার এই পেসার। মাঝে খুলনা বিভাগীয় প্রাথমিক দলে থাকলেও সুযোগ মেলেনি চূড়ান্ত দলে। এরপর করোনাকালীন সময় খেলা না থাকায় হয়ে পড়েছিলেন হতাশাগ্রস্ত। আমেরিকার চলে যাওয়ার সুযোগ খুঁজছিলেন।
করোনার সময় পার করে যশোর প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরেন রনি। যশোর লিগে চার ম্যাচে ছয় উইকেট নিয়ে ফিরে পান নিজের হারানোর আত্মবিশ্বাস। এরপর অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে খেলেন প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। এখানে ছয় ম্যাচে ছয় দশমিক ৮২ ইকোনমি ও ১৬ দশমিক ৬৭ গড়ে ৯ উইকেট নিয়ে শীর্ষ উইকেট সংগ্রহকারী তালিকায় ছিলেন ছয় নম্বরে। পরে প্রথম বিভাগের ওয়ানডে ফরম্যাটে হয়েছেন তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহকারী। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে ১৪ ইনিংসে ৫.৩১ ইকোনমি ও ১৯.৬৩ গড়ে নিয়েছেন ২৪ উইকেট।
রনি বলেন, যুব বিশ^কাপের সতীর্থরা যখন দেশের শীর্ষ পর্যায়ে খেলছিল তখন আমি কোথায়ও খেলার সুযোগ পাচ্ছিলাম না। এরপর আসলো করোনা। কোথায় কি করবো তাই ভেবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলাম। তবে এই সময়টা ফিটনেস নিয়ে কাজ করছিলাম। আর অপেক্ষায় ছিলাম সুযোগের। পরে যশোর প্রিমিয়ার ডিভিশন হয়ে ঢাকা প্রথম বিভাগ খেলি। নিয়মিত উইকেট পেতে থাকি। এখন হারানো আত্মবিশ^াস কিছুটা খুঁজে পেয়েছি। আগামী মৌসুমে যদি সুযোগ পায় তাহলে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন খেলবো।