লালদীঘিতে সহস্রাধিক প্রদীপ প্রজ্জ্বলন
নিজস্ব প্রতিবেদক
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম উৎসব শ্যামাপূজা (কালীপূজা) ও দীপাবলি উৎসব সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে প্রতিবছরের মতো এবারও শক্তি ও শান্তির প্রতীক দেবী শ্যামা মায়ের আরাধনায় ছিল জেলার ৮ উপজেলার সহস্রাধিক মন্দিরসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী অনেকের ঘরে ঘরে ।
পূজা উপলক্ষে শহরের লালদীঘিতে সহস্রাধিক প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে ভাসিয়ে দেয়া হয়। পূজা উদযাপন পরিষদ যশোর পৌর কমিটি আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রামকৃষ্ণ আশ্রমের উপাধ্যক্ষ আত্মবিভানন্দজী মহারাজ। এ সময় পূজা পরিষদের নেতৃবৃন্দ, উপদেষ্টা মণ্ডলীসহ পূজারি, ভক্ত, অনুরাগীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও শ্যামা পূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ ও বাড়িঘরে সাজসজ্জায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে যায় শহরময়।

প্রধান অতিথি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, পৃথিবীর সকল জাতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অশুভ শক্তিকে বিনাশ করতে হবে। শুভ শক্তি আলোকে আমরা জয় করতে চাই। এ সময় তিনি সকল অশুভ শক্তি এবং অন্ধকারকে দূরে ফেলে আলোর পথে আসতে সকলকে আহ্বান জানান।
তিনি আরো বলেন, পৃথিবীর সকল মানবজাতির জন্য এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৪০০ বছর আগে থেকে এই দিনটি উদযাপিত হয়ে আসছে। এই দীবাবলির তাৎপর্য অনেক গভীরে।
যশোর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপঙ্কর দাস রতনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট দেবাশীষ দাস, রোটারিয়ান দেবব্রত ঘোষ, পূজা উদযাপন কল্যাণ ফ্রন্টের সদস্যসচিব নির্মল দ্বীপ, বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট যশোর জেলা শাখার সভাপতি রবীন্দ্রনাথ দত্ত, জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক মিলন শীল, মহিলা সম্পাদিকা অর্চনা অধিকারী প্রমুখ।
