আবদুল্লাহ আল মামুন, চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি :
দেখতে দেখতে কেটে গেছে মফিজুরের জীবনের ৩১টি বছর। বিয়ের ৪ বছর পর এই দম্পতির কোল জুড়ে আসে শিশুপুত্র। তখনো ঘুণাক্ষরেও টের পাননি কখন যে মরণ অসুখ বাসা বেঁধেছে তার কিডনিতে। যখন জানতে পারলেন তখন তার দুটো কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি এখন জীবনের শেষপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। এক শিশু সন্তান, স্ত্রী এবং সংসার নিয়ে তার দুচোখে মুঠো মুঠো স্বপ্নের বদলে শুধুই মৃত্যুর বিভীষিকা! জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তার ছোট বোন রেশমী খাতুন (৩৪) একটি কিডনি ভাইকে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইতিমধ্যে কিডনি প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও টাকার অভাবে প্রতিস্থাপন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
মফিজুর রহমান চৌগাছা পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজুর রহমান বর্তমানে ঢাকার কিডনি ফাউন্ডেশন এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন। পাশাপাশি ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সপ্তাহে দুদিন কিডনি ডায়ালাইসিস করাচ্ছেন।
মফিজুরের মা মাহফুজা বেগম বলেন, আদরের ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে জায়গা জমি বিক্রি করে সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়েছি। চিকিৎসক জরুরিভিত্তিতে কিডনি প্রতিস্থাপন করতে বললেও টাকা অভাবে করাতে পারছি না। সকলে সহযোগিতা না করলে ছেলেকে বাঁচানো সম্ভব হবে না।
মফিজুর রহমানের বোন জেসমিন খাতুন বলেন, ভাইয়ের সাথে আমার কিডনি ম্যাচ হলে প্রতিস্থাপন বাবদ ১৫/১৬ লাখ টাকা দরকার। টাকার অভাবে তাই প্রতিস্থাপন সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি সকল হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তির কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়েছেন ভাইয়ের জীবন বাঁচাতে। টাকা পাঠানোর বিকাশ নাম্বার- ০১৭৪২১৭৫২৩৭ । এ ছাড়াও মো. মফিজুর রহমান, একাউন্ট নং- ২০৫০১৪৮০২০৪৩৯৩৮০৯, রাউটিং নং-১২৫২৯০৫২৪, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লি. ফরিদপুর শাখা।
