নিজস্ব প্রতিবেদক
সততা স্কুলে শেখার বিষয় না বলে মন্তব্য করেছেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার। বৃহস্পতিবার সকালে দূর্নীতি দমন কমিশনের শিক্ষাবৃত্তি, শিক্ষা উপকরণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সততা স্টোর সমূহের অর্থ প্রদান ও শিক্ষার্থী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, বাবা-মা’র দেখে শিশুরা শেখে। তাই বাবা-মা যদি ছোট থেকে সততা শেখায় তাহলে ছেলে-মেয়েরাও সৎ হবে। পরিবার থেকে সততা শিখে চর্চা করতে হবে। পরিবার ব্যর্থ বলেই স্কুলে ‘সততা স্টোর’ গড়ে উঠেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘সততা স্টোর’ সততা চর্চার একটি প্লাটফর্ম। এটি একটি প্রতীক। নতুন প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং অল্প বয়স থেকেই দুর্নীতি বিরোধী নৈতিকতায় উদ্বুদ্ধ করার এ উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান। একই সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারে সততা স্টোর গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত যশোর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আল-আমিন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন বিশ্বাস, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মাহফুজুল হোসেন, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক সোয়েব হোসেন।
অনুষ্ঠানে যশোর সদর উপজেলার ৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সততা স্টোরের জন্য ১০ হাজার টাকা করে এবং সততা সংঘের ১৪জন মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।
দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত যশোর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আল-আমিন বলেন, দুর্নীতির মাত্রা কমিয়ে আনতেই তাদের এ আয়োজন। মূলত একটি মানুষের শিক্ষা জীবনের হাতে খড়ি স্কুল জীবন থেকেই। ফলে স্কুল থেকেই শিশুকে সৎ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে তাদের এ আয়োজন। তিনি বলেন, যশোরের ১৭৫ টি স্কুলে সততা স্টোরে টাকা দেয়া হবে।
