নিজস্ব প্রতিবেদক
বুধবার খুলনা সার্কিট হাউসে দুই দিনব্যাপী ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে বিভাগীয় সেমিনার শুরু হয়েছে। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে গঠিত খুলনা বিভাগীয় টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য ও কর্তৃত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালার প্রথম দিনের সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনারের পক্ষে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ফিরোজ শাহ।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য উপ-পরিচালক ডা. ফেরদৌসী আক্তার এবং রেঞ্জ ডিআইজি’র কার্যালয়ের পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান রাসেল।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আওতাধীন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল এর সহযোগিতায় ও বিভাগীয় প্রশাসনের আয়োজনে সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন/এপিএমবি/শিক্ষা ও আইসিটি হুসাইন শওকত। উপস্থাপনা পরবর্তী মুক্ত আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাজমুল হুসেইন খাঁন, এইড ফাউন্ডেশন প্রকল্প কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ হাসিবুল হক ও সিয়ামের নির্বাহী পরিচালক এ্যাডভোকেট মাসুম বিল্লাহ।
সাজ্জাদুর রহমান রাসেল বলেন, খুব শিঘ্রই রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয় থেকে একটি লিখিত নির্দেশনা দেওয়া হবে, কোন পুলিশ ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থা যাতে ধূমপান না করেন এই মর্মে। নাজমুল হুসেইন খাঁন বলেন, বরাবরের মতো খুলনা জেলা এবারও জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে। আমরা অফিসগুলোকে নিজ দায়িত্বে ধূমপানমুক্ত করব এবং কোন সরকারি কর্মকর্তা তামাক কোম্পানির সাথে সম্পর্ক রাখবো না। তামাক থেকে যে পরিমাণে রাজস্ব আয় হয় এর চেয়ে কয়েক গুণ বেশি স্বাস্থ্য খাতে চিকিৎসার জন্য ব্যয় হচ্ছে। যে কারণে তামাক নিয়ন্ত্রণ অতি জরুরি বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে ।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আওতাধীন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সমন্বয়কারী মোঃ আখতারউজ-জামান (যুগ্মসচিব) মহোদয় অনলাইনে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন বিষয়ের উপর দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন যে, জেলা এবং উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা নিয়মিত এবং রিপোর্টিংটা সঠিক হওয়া প্রয়োজন। মোবাইট কোর্টে মামলার সংখ্যা বেশি কিন্তু জরিমানার পরিমান কম হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাইফুন্নাহার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, খুলনা।
