নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর নড়াইল সড়কের ফতেপুর দায়তলার রাস্তার পাশের গাছ রাতের বেলা কেটে সাবাড় করে দেয়া হয়েছে। উপজেলা বন সংরক্ষণ অফিস বলছে টেন্ডারের মাধ্যমে গাছ কাটা হয়েছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন যদি টেন্ডারের মাধ্যমে গাছ কাটবে তাহলে রাতে কাটবে কেন। সরেজমিনে দেখা গেছে দায়তলা হামকুড়া ব্রিজ থেকে চানপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি পর্যন্ত সড়কের ধারের কয়েকশত গাছ কেটে সাবাড় করা হয়েছে। কারা গাছ কাটছে সেটা বলতে পারেনি এলাকাবাসী।
স্থানীয় কামরুল ইসলাম জানান, দিনের বেলায় গাছ কাটতে দেখিনি। হয়তো রাতের বেলা কাটা হয়েছে। দায়তলা বাজারের স্বরজিৎ নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, কারা এ গাছগুলো কেটেছে আমার জানা নেই। একই কথা জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী। তারা শুধু গাছের গোড়ারমাটি খুঁড়ে কাঠ নিতে এসেছে।
ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেনও জানেন না কারা, কি কারণে গাছ কেটেছে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে তিনি জানান।
গাছ কাটার বিষয়ে জেলা পরিষদে নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ-উজ-জামান জানান, কাটা গাছগুলো তাদের না। তাদের গাছের গায়ে জেলা পরিষদ লেখা আছে। সেগুলো হয়তো বন বিভাগের।
এ ব্যাপার সদর উপজেলা সহকারী বনকর্মকর্তা অমিতা মন্ডল জানান, যশোর নড়াইল সড়ক পদ্মাসেতুর সাথে সংযুক্ত হবে। একারণে এ সড়ক ফোর লেন করা হবে। ফোর লেন করতে হলে গাছের কারণে সম্ভব হবে না। এজন্য চলতি বছরের ২ জানুয়ারি টেন্ডার আহ্বান করা হয়। ২০ জানুয়ারি টেন্ডার ওপেন করে ২৭টি লডে গাছ দেয়া হয়। এর বাইরে কোন গাছ কাটা হয়েছে কি না তিনি বলতে পারেননি।
তিনি আরো বলেন, গাছের টেন্ডার কে পেয়েছে, কত টাকার গাছ, এখন বলতে পারবো না।