নিজস্ব প্রতিবেদক: সংস্কার অভাবে যশোর শহরের রাস্তাগুলো বেহাল দশায় পৌঁছতে থাকলেও ঘুম ভাঙছিল না সংশ্লিষ্ট কারোরই। অর্ধশত কোটিরও বেশি টাকা ব্যয়ের সড়কের ভঙ্গুর দশা নিয়ে দৈনিক কল্যাণে সংবাদ প্রকাশের পর শুরু হয় নড়চড়। কার্পেটিং উঠে গর্ত বেরিয়ে খানাখন্দে ভরা সড়ক সংস্কারে উদ্যোগ নেয় যশোর পৌরসভা। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির প্রকৌশল বিভাগ শহরের প্রধান সড়কগুলোর মেরামত শুরু করেছে। প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ক্ষতিগ্রস্থ সড়কের মেরামত চলছে।
পৌরসভা প্রকৌশল বিভাগ সূত্র জানায়, মোবাইল মেইনটেনেন্সের আওতায় শহরের সড়কের সংস্কার চলছে। এমএম আলী রোড, মুন্শি মেহেরুল্লাহ ােড, ঘোপ নওয়াপাড়া ও খালধার রোডসহ অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্থ সড়কগুলোর মেরামত চলছে। সড়কের গর্ত সিলকোট করে পাথর ও প্রয়োজনীয় উপাদান দিয়ে গ্রাউটিং করা হচ্ছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম শরীফ হাসান জানান, বৃষ্টির জন্য সংস্কার কাজ আপাতত বন্ধ আছে। শিগগিরি আবারো শুরু হবে। শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো এই মেরামতের আওতায় আসছে।
দীর্ঘ দিন সংস্কার না হওয়ায় যশোর শহরের সড়কের কার্পেটিং উঠে ছোট বড়-গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বছর কয়েক আগে নির্মিত এসব সড়কের ইট-খোয়াও বেরিয়ে পড়েছে। ফলে অর্ধশত কোটিরও বেশি ব্যয়ের সড়কগুলোর অবস্থা এখন বেহাল। সংস্কার না করায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের স্থায়িত্বও কমে যাচ্ছিল। দ্রুতই সংস্কার না করায় ছোট গর্তগুলি ক্রমশ বড় হচ্ছিল। এতে সড়কের ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছিলো।
এমন পরিস্থিতিতে সড়কগুলো রক্ষার দাবি জানিয়ে পৌর মেয়রের কাছে তারা স্মারকললিপি দেয় জনউদ্যোগ যশোর। জনউদ্যোগ যশোরের সদস্য প্রবীণ সাংবাদিক ও বীরমুক্তিযোদ্ধা রুকুনউদ্দৌলাহ্ মেয়রের হাতে সড়ক সংস্কারের দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি তুলে দেন। পরবর্তীতে যশোর পৌর এলাকায় চলাচলে ঝুঁকি। ডানে খানা বামে গর্ত : সব সড়কের একই চিত্র-শীর্ষক শিরোনামে দৈনিক কল্যাণে সংবাদ প্রকাশিত হয়। গত ৯ জানুয়ারি সংবাদটি প্রকাশের পর চলতি মাসের শুরুতে সংস্কারে নেমেছে যশোর পৌরসভা।