নিজস্ব প্রতিবেদক
বেনাপোর পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নাসির উদ্দিন ভোট দিয়েছেন। আজ সোমবার সাড়ে ১০ টার দিকে পৌর শহরের বড় আঁচড়া কেন্দ্রে তিনি ভোট দেন তিনি। এছাড়া মহিলা আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট দেন মোবাইল ফোন প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মফিজুর রহমান সজন।এর আগে একই দিন সকাল ৮টায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। সীমানা জটিলতায় দীর্ঘদিন এ পৌরসভায় ভোট বন্ধ ছিল। অনেক দিন পর ভোট হওয়ায় পৌরবাসীর মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এদিকে, শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রিটার্নিং অফিসার। আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর পাশাপাশি প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকবেন। ফলে কাউন্সিলর ও মেয়র পদে প্রভাব দেখানোর সুযোগ নেই বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভোট উৎসব মুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে চলছে। সবকেন্দ্রেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। দীর্ঘদিন পর ভোট হওয়াতে মানুষের ভিতর উৎসব উদ্দীপনা কাজ করছে। একপ্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো ইভিএম মেশিনে ভোট গ্রহন হওয়াতে অনেককের ভোট প্রদানে সমস্যা হচ্ছে। নিয়মকানুন না জানাতে ভোট দিতে সমস্যা হচ্ছে। এই সমস্যার পড়ছে কম লেখাপড়া জানা মানুষ ও বয়স্করা। যদিও আমরা প্রচারণা কালে ভোটাদের কিভাবে ভোট দিতে হয় সেটা দেখিয়ে দিয়েছি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মোবাইল ফোন প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মফিজুর রহমান সজন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভোটের আগে প্রচার প্রচারনাতে আমাকে বাঁধা দিয়েছে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর কর্মী সমর্থক। কেন্দ্রে আমার পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দিলেও ভোটের দিন কেউ আসেনি। কারণ ভোটের আগের রাতে নৌকার কর্মী বাহিনী আমার পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রে যেতে ভয়ভীতি দেখিয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভোট চললেও যশোরের বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনে সবকেন্দ্রেই ভোট গ্রহণে ধীরগতি। এই ধীরগতির কারণে নির্দিষ্ট সময়ে সবাই ভোট দিতে পারবে কিনা সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।
