নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের বেনাপোলের কাগমারি গ্রামের মগর আলী হত্যা মামলায় আটক তার ভাতিজা হারুন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে উভয়পক্ষের হামলায় মগর আলী গুরুতর আহত হয়ে মারা যান। এ ঘটনার সাথে তার পিতা ও ছেলে জড়িত বলে জানিয়েছেন হারুন। মঙ্গলবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আসামিকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন। আসামি হারুন কাগমারি গ্রামের আরব আলীর ছেলে।
গত ১৬ এপ্রিল ভাতিজার ধারালো অস্ত্রের কোপে চাচা মগর আলী নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে হোসেন আলী ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অমিত কুমার দাস হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে হারুন ও সামছুর রহমানকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করেন।
হারুন জানিয়েছেন, মগর আলী তার আপন চাচা। পৈত্রিক জমি নিয়ে চাচার সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। মাঝে মধ্যে চাচার পরিবারের সাথে জমি নিয়ে ঝগড়া হয়। গত ১৬ এপ্রিল ইফতারের পর চাচা ও তার পরিবারের লোকজনের সাথে জমি নিয়ে ঝগড়া হয়। এরই মধ্যে চাচা মোগর আলী ও তার বাড়ির লোকজন তাদের উপর দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এ সময় উভয় পক্ষের হামলা পাল্টা হামলায় চাচা মোগর আলী গুরুতর আহত হন। পরে চিৎিসাধীন অবস্থায় চাচা মারা যান।