নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরসহ সারাদেশের ৬৪টি জেলায় স্মার্ট কর্নার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এই কর্নারে প্রান্তিক মানুষের বিভিন্ন সমস্যা-সম্ভাবনা লিপিবদ্ধ করা হবে। এসব তথ্য পাওয়ার পরেই স্মার্ট কর্নারের দায়িত্বে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সেগুলো সমাধান করবেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সারাদেশে জেলা শহরে আওয়ামী লীগের স্মার্ট কর্নার স্থাপনের দিক নির্দেশনামূলক সভায় এই ঘোষণা দেন সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার। ভার্চুয়ালি এই সভায় যশোর জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ৬৪ জেলার নেতাকর্মীরা অংশ নেয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপ-দপ্তর সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম তরফদার।
সভা শেষে জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক নবী নওয়াজ মোঃ মুজিবুদ্দৌলা সরদার কনক মুঠোফোনে জানান, ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের পাশাপাশি ‘স্মার্ট বাংলাদেশে’র ধারণা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের। ২০৪১ সাল নাগাদ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের অঙ্গীকারকেই আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মপরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপ হিসেবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ ধারণাটি বেছে নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসাবে সারাদেশে জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে একটি করে স্মার্ট কর্নার স্থাপনের সিন্ধান্ত হয়েছে। স্মার্ট কর্নারে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সমস্যা ও সম্ভাবনা লিপিবদ্ধ করা এবং দলের কেন্দ্রে প্রেরণ করা হবে। স্মার্ট কর্নারে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সাধারণ মানুষের সেবা দিতে দুইজন পুরুষ ও দুইজন নারী কাজ করবেন। প্রান্তিক মানুষের এসব অভিযোগ পরামর্শ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাছে পৌছে যাবে। যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসব সমস্যা সমাধান করবেন।
যশোর থেকে ভার্চুয়ালি এই সভায় অংশ নেয় ও মতামত প্রদান করেন জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মুন্সী মহিউদ্দিন আহমেদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ফারুক আহমেদ কচি, দপ্তর সম্পাদক নবী নওয়াজ মো. মুজিবুদ্দৌলা সরদার কনক, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক লুৎফুল কবির বিজু এবং উপ-দপ্তর সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম তরফদার।
