নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরে বিশেষ বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এক সদস্যকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে আটক করেছে। এসময় একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার আদালতে হাজির করা হলে ৬জনই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলাম জবানবন্দি শেষে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন।
আটককৃতরা হলো, শহরতলীর পালবাগি নতুন খয়েরতলার রবিউল ইসলামের ছেলে আশরাফুল ইসলাম, শহরের পুলিশ লাইন্স টালিখোলার মৃত বাবুর ছেলে সাব্বির হোসেন, পুরাতন কসবা কাজীপাড়ার ইউসুফ আলীর ছেলে আবির হোসেন, মৃত জুলফিকার আলী জুয়েলের ছেলে রাফাত ইয়ামিন, মিশনপাড়ার মুন্না ইসলামের ছেলে রুস্তুম আলী ও বেগম মিল এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে সজীব হোসেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, অবসরপ্রাপ্ত বিশেষ বাহিনীর সদস্য আনোয়ার হোসেনের যশোর শহরের পালবাড়ি তেঁতুলতলায় মাহী ট্রেডার্স নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। গত ৮ এপ্রিল রাত ৯টার দিকে এক দুর্বৃত্ত এসে আনোয়ার হোসেনকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে চলে যায়। আহত অবস্থায় ওই সময় তাকে প্রথমে যশোর ২৫০ শয্যা জেনালে হাসপাতাল এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে সম্মিলিত সামরিকত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেনের ভাই হায়দার হোসেন ১০ এপ্রিল কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১০ এপ্রিল রাতে যশোর শহরের পুরাতন কসবা কাজীপাড়া, পালবাড়ি, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের বারোবাজার এলাকতায় অভিযান চালিয়ে ওই ছয় জনকে আটক করে ডিবি পুলিশ। তাদের দেখানো মতে এমএম কলেজের পুরাতন ছাত্রবাস থেকে একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। তারা বলেছে ব্যবসায়ীক টাকা লেনদেনের ঘটনায় ৫০ হাজার টাকা চুক্তিতে ২০ হাজার টাকা নগদ পেয়ে কামরুল ইসলাম ও শফিকুল ইসলাম নামে দুইজনের নির্দেশে আনোয়ার হোসেনকে ছুরিকাঘাত করেছে। এই ঘটনার নির্দেশ দাতা কামরুল ইসলাম ও শফিকুল ইসলামকে আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।