নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর শহরের বারান্দীপাড়া এলাকার আব্দুল খালেকের স্ত্রী আয়শা পারভিন চক্রান্ত করে তার ভারসাম্যহীন সন্তান জাহিদ হোসেন সবুজের ৮৫ দশমিক ২৮ শতক জমি লিখে নিয়েছে। এ বিষয়ে প্রেসক্লাব যশোরে সবুজ হোসেন সংবাদ সম্মেলন করেন। কিস্তু তাতেও কোন প্রশাসনিক সহযোগিতা পায়নি।
জাহিদ হোসেন সবুজের মা একজন স্কুল শিক্ষিকা এবং একজন লালন অনুরাগী। সেই সুবাদে একমাত্র পুত্র সবুজকে লালন অনুসারী করেন এবং লালন ভক্তের সাথে বিয়ে দেন। বিয়ের পর থেকে পুত্রবধূকে বাবু সাহি গুরুজির অনুসরণ অনুকরণ করতে বাধ্য করেন। যার প্রতিবাদ করেন সবুজ। যে কারণে অকারণে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। এরপর থেকেই সন্তানের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করতে থাকেন মা আয়শা। এর মাঝে সবুজ স্ত্রীসহ সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হলে ভারতে চিকিৎসার জন্য পরামর্শ দেন দেশের চিকিৎসকরা। কিন্তু মা আয়শা ও বোন জামাই চক্রান্ত করে তার পাসপোর্ট আটকিয়ে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করে। এবং এ অবস্থায় অসুস্থ ভারসাম্যহীন সবুজের নিজ নামীয় জমি জালিয়াতির মাধ্যমে দলিল করে নেন। যার দলিল নং ৩৪৯৯/১৯ তাং ১১/৩/১৯।
এই বিষয়ে আয়শা পারভিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান আমি লালন ভক্ত আমি লালনের অনুসরণ অনুকরণ করি। জমি লেখার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার ছেলে অসুস্থ থাকায় ব-কলমে আঃ রহিম নামে এক ব্যক্তি টিপসহি ও দলিলে স্বাক্ষর করেন।
এই বিষয়ে যশোর সাব রেজিস্ট্রি অফিস ও এডিসি রেভিনিউ এর সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, আইনগতভাবে জমি এভাবে লিখে নেয়ার কোন আইন নেই।
অন্যদিকে বাবু শাহির কাছে ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সবুজের থেকে জমি লিখে নিয়ে চরম অপরাধ করেছে আয়শা।
এই বিষয়ে কল বাবু ওরফে ভোলা সাহার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আয়শা পারভিন আমার বুবু হয়। কেমন বুবু জানতে চাইলে তিনি বলে, লালনের অনুসরণি বুবু হয়। আমি এই জমি রেজিস্ট্রির ব্যাপারে তাকে রেজিস্ট্রি অফিসে আমার এক পরিচিত লোকের সাথে পরিচয় করিয়ে দিই। এর পর সবুজের কাছ থেকে ৮৫.২৮ শতক জমি লিখে নেয়। সবুজের দাবি সঠিকভাবে তদন্ত করে তার জমি ফেরত দেয়া হোক।