নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় সাকিব হোসেন (১৮) নামে এক যুবক মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। তিনি শহরের চাঁচড়া মধ্যপাড়া এলাকার মজনু মিয়ার ছেলে। তিনি দোয়াত-কলম প্রতীকের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন বিপুলের কর্মী ছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
নিহত সাকিবের মামা শহিদ রহমান বলেন, সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর বুধবার সন্ধ্যায় চাঁচড়ায় বিজয়ী প্রার্থী তৌহিদ চাকলাদার ফন্টুর কর্মী-সমর্থকরা বিজয় মিছিল বের করেন। এ সময় দোয়াত-কলমের ৫ থেকে ৬ জন কর্মী তাদের ওপর হামলা করে কয়েকজনকে ছুরিকাঘাতও করে। এসময় স্থানীয়রা তাদেরকে ধাওয়া করলে সাকিব ঘটনাস্থলে ধরা পড়ে। এসময় তারা তাকে গণপিটুনি দেয়। সে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওই রাতেই তার অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকায় রেফার করেন চিকিৎসকরা। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে সাকিবের মৃত্যুর পর স্বজনরা তার মরাদেহ গোপনে সেখান থেকে এনে ময়নাতদন্ত ছাড়া বাড়িতে নিয়ে গিয়ে দাফনের ব্যবস্থা করে। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে আনে। পরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
