নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরে আলাদা অভিযানে ৫টি বিদেশি পিস্তল ও ১১টি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় তিনজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
আটককৃতরা হলো সদর উপজেলার জয়ান্তা গ্রামের রাকিবুল ইসলাম ওরফে নয়ন (২৩), বেনাপোলের সাদিপুর গ্রামের মো. সোহেল রানা (৩০) ও মো. শাহাজামাল কালু (৫২)।
যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল শাহেদ মিনহাজ ছিদ্দিকী জানান, সোমবার বেনাপোলের সাদিপুর গ্রামের শাহাজামাল কালুর বাড়ি থেকে ৫টি বিদেশি পিস্তল, ৫টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এসময় শাহাজামাল কালু ও তার ছেলে সোহেল রানাকে আটক করা হয়েছে।
র্যাব যশোর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার এম নাজিউর রহমান জানান, রোববার রাত একটার দিকে অভয়নগর উপজেলার চলিমিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাগদা পশ্চিমপাড়ার পাকা রাস্তার উপর থেকে প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগে থাকা ৫টি বোমাসহ নয়নকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
অপরদিকে সোমবার দুপুরে বাঘারপাড়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৬টি বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার দর্গাহপুর ছব্বারের মোড়ে পাঞ্জেগানা মসজিদের পেছন থেকে বোমাগুলো উদ্ধার করা হয়। এতে মসজিদের মুসল্লি ও মোড়ের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্কসহ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মসজিদ পরিচ্ছন্নতার কাজে নিয়োজিত বৃদ্ধ সবদুল শেখ জানান, সকালে মসজিদের পিছনে বাগান পরিস্কার করতে গিয়ে বোমাসদ্যৃশ বস্তু দেখেন। এ সময় তিনি মসজিদের পাশের রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনকে তা দেখান। আলমগীর তাৎক্ষণিক মুঠোফোনে রায়পুর ফাঁড়ি পুলিশকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে রায়পুর ফাঁড়ি ও থানা পুলিশ গিয়ে বোমাগুলো উদ্ধার করে।
বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় লাল ও কালো টেপ মোড়ানো ৬টি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। বোমার উৎস খুঁজে বের করতে কাজ করছে পুলিশ। পানিতে রেখে প্রাথমিকভাবে বোমাগুলো নিষ্কিয় করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ওই এলাকায় কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ যেন তৈরি না হয় সেজন্য পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।