এমপি নাবিল ও শাহীন চাকলাদারের শোক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত হেরে গেলেন যশোর জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আজিজুর রহমান। রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার হয়েছিল ৬৪ বছর। তিনি দুই স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে, নাতি নাতনিসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। সোমবার আসরবাদ জন্মস্থান বাঘারপাড়ার দোহাকোলা ঈদগাগ মাঠে দ্বিতীয় নামাজের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এরআগে যশোর ঈদগাহ ময়দানে প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে তার মৃত্যুতে এমপি নাবিল ও এমপি শাহীন চাকলাদারসহ বিভিন্ন মহল শোক জানিয়েছেন।
রোববার রাতেই তার মৃত্যু খবর যশোরে পৌঁছালে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নেমে আসে শোকের ছায়া। সোমবার দুপুরের দিকে এ্যাম্বুলেন্সে তার লাশ যশোরে পৌঁছে। এ সময় এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। তিনি রাজনীতির বাইরে সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তার মরদেহ রাখা হয় যশোর ঈদগাহ ময়দানে। এ সময় দলীয় নেতা ও দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা ফুল দিয়ে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান মিন্টু, যুগ্ম সম্পাদক মীর জহুরুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহারুল ইসলাম, শহরে আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান বিপু, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, সহ-সভাপতি জবেদ আলী ও সাইদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক চাঁন মিয়া, শাহানুর রহমান, নুর মোহাম্মদ পুটি প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ। পরে তার মরদেহ নেয়া হয় বাঘাপাড়ায়। সেখানে বাদ আছর দ্বিতীয় দফা জানাজা শেষে পারিবারিক করবস্থানে দাফন করা হয়।
জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ বাবলু দৈনিক কল্যাণকে জানান, এক বছর আজিজুর রহমান যশোর, ঢাকা ও ভারতেও ক্যান্সারের চিকিৎসা নেন। সম্প্রতি অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় নেয়া হয়। মৃত্যুর আগে তাকে একদিন লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। রোববার রাত দুইটার দিকে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে আজিজুর রহমানের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন যশোর সদরের এমপি কাজী নাবিল আহমদ, কেশবপুরের এমপি শাহীন চাকলাদার, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল মজিদ, আব্দুল খালেক, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তাফা, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আফজাল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল ইসলাম, জিয়াউল হাসান হ্যাপী, অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আলমগীর হোসেন, গাজী আব্দুল কাদের, এমএ বাসার, যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল, সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জ্যোৎস্না আরা মিলি, সুলতান মাহমুদ বিপুল, পৌর কাউন্সিলর শেখ জাহিদ হোসেন মিলন, রোকেয়া পারভীন ডলি, নাছিমা আক্তার জলি, সদর উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক অশোক কুমার বোস, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জুয়েল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দিন কবির পিয়াস, যশোর কৃষক লীগের সভাপতি সামছুর রহমান প্রমুখ।