সুনীল ঘোষ: শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ট্যাক্সেস্ বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা। দুটি প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ব্যানার পোস্টার এবং লিফলেটে ছেয়ে গেছে যশোর শহর। প্রার্থীরা বলছেন কম ভোটের নির্বাচনে জিতে ফেরা কঠিন। দুই-এক ভোটে হার-জিত হয়। যে কারণে ভোটারের কদরও বেশি। নানা কারণেই বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবারের নির্বাচন। শেষ মুহূর্তে প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারের কাছে। তবে কে হাসবেন শেষ হাসি সেই অঙ্ক কষতে ব্যস্ত সবাই। তবে জয়ের ব্যাপারে প্রার্থীদের সবাই আশাবাদী।
যশোর ট্যাক্সেস্ বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন ৯ ফেব্রুয়ারি। দুপুর ১২ টা থেকে বিরতিহীন ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ভোটার সংখ্যা মাত্র ৯৬। ১৫টি পদের বিপরীতে দুটি প্যানেলে লড়ছেন ৩০ জন প্রার্থী। একটি প্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সভাপতি পদে মোয়াজ্জেম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদকে প্রশান্ত দেবনাথ। অপর প্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সভাপতি পদে অশোক কুমার দাস ও সম্পাদকে বিএম আলমগীর সিদ্দিকী।
এর বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাধারণ সম্পাদকে আরিফুর রহমান ও সহসাধারণ সম্পাদকে আব্দুল আলিম ভোটযুদ্ধে লড়ছেন।
নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট শাহরিয়ার আলম এই তথ্য জানিয়েছেন।
নির্বাচনী আমেজে ভাসছে টিবি ক্লিনিক এলাকা। দুটি প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ব্যানার ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে গোটা এলাকা। হ্যান্ডবিল বিতরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থী ও তাদের অনুসারীরা। কম ভোটারের এই নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন প্রার্থীরা। প্রার্থীরা বলছেন, এই নির্বাচনে হার-জিত হয় কম ভোট ব্যবধানে। যেকারণে ভোটারের কদরও বেশি। তাদের মন জয় করেই জিততে হবে ভোটে। তাই প্রার্থীরাও কোনো কিছুতে কমতি রাখছেন না। সবাই ছুটছেন ভোটারের পেছনে। রাতের ঘুম হারাম করে প্রার্থী ও প্যানেলের পক্ষে অনেকে হানা দিচ্ছেন ভোটারের বাড়ি-ঘরে। দিনেও সমানতালে চলছে প্রচার-প্রচারণা। নির্বাচন যতই কাছিয়ে আসছে, প্রার্থীরা ততই মরিয়া হয়ে ছুটছেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবারের ভোট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ভোটে জড়িয়ে আছে ইজ্জত-সম্মান। কারো মতে-এই ভোট ব্যক্তি ইমেজ প্রমাণের। তাই হারতে চান না কেউ। তাই প্রার্থীদের সবাই মরিয়া হয়ে ছুটছেন।
সভাপতি প্রার্থী মোয়াজ্জেম চৌধুরী একটি প্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এবারের নির্বাচনে তার প্যানেল নিরঙ্কুস সংখ্যাগরিষ্টতা পাবে বলে আশাবাদী তিনি। অপর প্যানেলের প্রার্থীরাও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তবে শেষ হাসি হাসবেন কে বা কারা তা এখনো স্পষ্ট না।