নিজস্ব প্রতিবেদক
অবশেষে ভারত থেকে মশা নিধনের ওষুধ আমদানি করেছে যশোর পৌরসভা। আমদানি করা সেই ওষুধ স্প্রে করতে মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন যশোর পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দান গনি খান পলাশ। এরপর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশা নিধনের জন্য ওষুধ স্প্রে শুরু করেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মীরা। উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর শেখ রাশেদ পারভেজ রাজ, বাবলু নাথ, রোকেয়া পারভীণ ডলি, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম শরীফ হাসান, সহকারী প্রকৌশলী বিএম কামাল আহমেদসহ পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দান গনি খান পলাশ বলেন, মশার ওষুধ ছিটানো আমাদের দৈনন্দিন কাজের একটা অংশ। বর্ষা মৌসুমে পৌর এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি ডেঙ্গু মশার উপদ্রবও বেড়ে যায়। এজন্য মশা নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিটি ওয়ার্ডে মশার ওষুধ ছিটানোর কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে চলবে। পুরো বর্ষা মৌসুমে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবেলা করতে প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে। বাসাবাড়ির আঙ্গিনা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। তবেই আমরা ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষিত থাকতে পারবো।
পৌরসভার প্রশাসনিক ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা উত্তম কুমার কুন্ডু বলেন, প্রথম দফায় মশা নিধনের কার্যক্রম চলবে ৮দিন। এই সময় ২টা ফগার মেশিন ও ৩০টা হ্যান্ড স্প্রে মেশিনে শহরের প্রতিটা অলি-গতিতে স্প্রে করা হবে। ফগার মেশিন দিয়ে মূলত শহরের বড় বড় ড্রেনগুলোতে ওষুধ ছিটানো হবে।
তিনি আরও বলেন, এবার মশা নিধনের জন্য ভারতে থেকে দুই ধরনের ওষুধ আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে ডাবল ২১৬ লিটার ও এগ্রো মাইথিন ৩২ লিটার। ইতোমধ্যে যশোর সদর হাসপাতাল, পৌরসভা কার্যালয় ও পৌর পার্কের আশপাশে কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে সুফল মিলেছে। ফলে স্প্রে করার সাথেসাথে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসের কাজও করা হবে।
৮দিনব্যাপী মশার কার্যক্রমে বাজেট ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে ওষুধ ক্রয় করতে লেগেছে চার লাখ। মেশিন, শ্রমিকসহ আনুসাঙ্গিক কাজে খরচ ধরা হয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার বলে জানান উত্তম কুমার কুন্ডু।
