নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরে যৌতুক দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে আরআরএফ’র কর্মকর্তা কবিরুল ইসলাম সবুজসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে দুইটি মামলা হয়েছে। সোমবার কবিরুলের স্ত্রী বেনাপোলের দিঘীরপাড়ার গ্রামের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার পুতুল এই মামলা করেছেন।
সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে দুই মামলা সবুজ ও তার মা ঝরনা বেগমের বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী মিজানুর রহমান (১)। আসামিরা হলেন, শার্শা উপজেলার হরিশচন্দ্রপুর গ্রামের কবিরুল ইসলাম সবুজ, তার মা ঝরনা বেগম এবং বোন সাথী আক্তার।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, আসামি কবিরুল ইসলাম সবুজ আরআরএফ নামক এনজিও’র সহকারী হিসাব রক্ষক হিসেবে রাজশাহীতে কর্মরত আছেন। গত ১৫ জানুয়ারি পারিবারিকভাবে সুমাইয়া আক্তার পুতুলকে বিয়ে করেন সবুজ। বিয়ের পর প্রথম তারিখ শ্বশুর বাড়ি বেড়তে গেলে সবুজকে প্রায় ১ লাখ টাকার উপহার দেয়া হয়। এরপর সবুজ স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার পুতুলকে সঙ্গে নিয়ে তার কর্মস্থল রাজশাহী চলে যান। ১ মাস পর থেকে সবুজ তার স্ত্রীর কাছে সরকারি চাকরির কথা বলে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকার করায় সবুজ তাকে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। একপর্যায়ে গত ১৮ মার্চ আসামিদের দাবি অনুযায়ী যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকার করায় সুমাইয়া আক্তার পুতুলকে মারপিট করে এক বস্ত্রে পিতার বাড়ি তাড়িয়ে দেয়া হয়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিমাংসায় ব্যর্থ হয়ে তিনি যৌতুক নিরোধ ও পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ আইনে আদালতে দুইটি মামলা করেছেন।