কল্যাণ রিপোর্ট: যশোর কোতয়ালি থানা পুলিশ সদর উপজেলার রুপদিয়া বাজার থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলিসহ দুইজনকে আটক করেছে। এদের মধ্যে আটক শাহীন আলম নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি। শাহীন উপজেলার চাউলিয়া গ্রামের মুনসুর আলী ফকিরের ছেলে। এবং নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি। আর তার সহযোগির নাম রাজু। তিনি পুলেরহাট তফসীডাঙ্গা গ্রামের কাউছার আলী ওরফে বাবুল মিয়ার ছেলে।
নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের ইউপি নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজু আহমেদ জানিয়েছেন, তিনি নির্বাচনে অংশ নেয়ার পর থেকে স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী সব সময় তার গতিবিধি লক্ষ্য করে। গত বৃহস্পতিবার তাকে হত্যার করার জন্য খোঁজা হয়। তিনি জানতে পেরে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নেন। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে তিনি রুপদিয়া বাজারে বসে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছিলেন। সে সময় জানতে পারেন শাহীন আলম অস্ত্রসহ পুলিশের হাতে আটক হয়েছে। তিনি দাবি করেন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে শাহীন অস্ত্র নিয়ে রুপদিয়া বাজারে এসেছিল।
তিনি আরো জানিয়েছেন, শাহীন নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি। সে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোদাচ্ছের হোসেনের ক্যাডার হিসাবে কাজ করছে। এ বিষয়ে শনিবার প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলন করে আরো বিস্তারিত জানানো হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
কোতয়ালি থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেছেন, রুপদিয়া বাজার থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে শাহীন নিজেকে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি বলে দাবি করেছেন।
তবে অভিযোগ প্রসঙ্গে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোদাচ্ছের হোসেন বলেছেন, শাহীন ও রাজু তার কর্মী না। বরং স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী। অস্ত্রসহ আটক রাজু স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজু আহমেদের মামা। নরেন্দ্রপুর এলাকায় তাদের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ আছে।