নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে ষাট ঊর্ধ্ব মায়েদের ফল খাওয়া উৎসব হয়েছে। শনিবার সকালে জয়তী সোসাইটির উদ্যোগে প্রতিবছরের মত এবারও এ উৎসব হয়। এদিন শতাধিক মাকে খাওয়ানো হয়েছে আম, কাঁঠাল, কলা, লিচু, চিড়া, দই, মুড়ি, মিষ্টি ও লেবুর শরবত। এছাড়া প্রত্যেক মাকে ১ কেজি করে আম প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সংগঠন পর্যায়ে এলাকা ভিত্তিক আরও তিন শতাধিক মাকে নিয়ে ফল উৎসব করা হবে।
ফল উৎসবে আসা এই সব মায়ের অনেকেরই কোন সন্তান নেই; আবার যাদের সন্তান আছে তারা পরিবারের কাছে অবহেলার স্বীকার। এই বয়সে এসে মায়েরা একা হয়ে পড়েন, পরিবার থেকে হয়ে পড়েছেন বিচ্ছিন্ন। তাদের কথা শোনার লোকের বড় অভাব। মায়েদের নানাবিধ সমস্যার কথা বিবেচনা করে জয়তী সোসাইটি ২০০৮ সালের ৮ মার্চ প্রতিষ্ঠা করে জয়তী ৬০ ঊর্ধ্ব নারীসেবা কর্মসূচি নামে একটি কার্যক্রম। মায়েদেরকে একটু প্রশান্তি দেওয়ার লক্ষ্যে জয়তী সোসাইটি মায়েদের নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। ৬০ ঊধর্ব মায়েদের ফল উৎসব এর মধ্যে অন্যতম। প্রতি বছর এই মায়েদেরকে নিয়ে মধু মাসে ফল খাওয়া উৎসব আয়োজন করা হয়। যেখানে মায়েরা অত্যন্ত তৃপ্তি সহকারে বিভিন্ন রসালো ফল খেয়ে থাকেন। এদিন এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মুনা আফরিন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হারুন অর রশীদ, সমাজসেবক ডা. নাজিম উদ্দিন, যশোর কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাক হোসেন শিম্বা, দৈনিক স্পন্দনের নির্বাহী সম্পাদক মাহবুব আলম লাবলু, সংস্কৃতিকর্মী ও সাংবাদিক প্রণব দাস। সভাপতিত্ব করেন জয়তী সোসাইটির ৬০ উর্ধ্ব নারীসেবা কর্মসূচির সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান মুকুল। বক্তব্য রাখেন উপশহর ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জয়তী সোসাইটির ৬০ উর্ধ্ব নারীসেবা কর্মসূচির সহসাধারণ সম্পাদক পরিতোষ বিশ্বাস, দাতা সদস্য সালেহা খাতুন। স্বাগত বক্তব্য দেন জয়তী সোসাইটির ইউনিট ম্যানেজার নূরজাহান আক্তার। সঞ্চালনা করেন জয়তী সোসাইটির ইউনিট ম্যানেজার বর্ণালী সরকার।
