সাড়াতলা (শার্শা) প্রতিনিধি: অগ্রহায়ণের শুরুতেই শীত পড়তে শুরু করায় সন্ধ্যা থেকেই গরম কাপড়ের প্রয়োজন দেখা দিচ্ছে। শীতের আগমনীতে তাই শার্শায় লেপ-তোষক তৈরির কারিগরদের ব্যস্ততা বেড়েছে বহুগুণে। বর্তমানে কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন লেপ-তোষক তৈরিতে।
শার্শা, নাভারণ, বেনাপোল, বাগআঁচড়াসহ গ্রাম্য হাট বাজারের লেপ-তোষকের দোকানগুলোতে ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মানুষজন তাদের পরিবারের চাহিদা ও নতুন মেয়ে-জামাইয়ের বাড়িতে পাঠানোর জন্য পছন্দ অনুযায়ী লেপ-তোষক কিনছেন এবং অর্ডার দিচ্ছেন। কিছু কিছু দোকানে তৈরি করা লেপ তোষক, বালিশ বিক্রি করা হচ্ছে। আর যারা খুব ভাল মানের কাপড় তুলা নিতে চান তারা দোকানগুলোতে অর্ডার করছেন।
কথা হয় উপজেলার সাড়াতলা বাজারের কানু প্লাজার রাইসা বেডিং হাউজে লেপ-তোষক কিনতে আসা ডিহি গ্রামের আশুরা বেগমের সাথে। তিনি বলেন, মেয়ে জামাইকে দিবো বলে নতুন লেপ-তোষক কিনতে এসেছি। তবে দাম একটু বেশিই মনে হচ্ছে। তবুও কিনতে হবে। ডাক্তার তরিকুল ইসলাম বলেন, বাড়ির জন্য একটি লেপ কিনতে হবে।
রাইসা বেডিং হাউজের মালিক মোরশেদ আলী ও কারিগর মাসুম বিল্লাহ বলেন, শীত আগমনীতে দোকানে কাস্টমাররা ভীড় করতে শুরু করেছেন। তাদের পছন্দমত লেপ-তোষক, বালিশ ও কোলবালিশ কিনছেন এবং অর্ডার করছেন। এখনো পর্যন্ত ২৫-৩০ টার মত লেপ-তোষক বিক্রি করতে পেরেছি। ভাল অর্ডারও পাচ্ছি। আশা করি চলতি বছর বেঁচা বিক্রি বেশ ভালই হবে। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর লেপ-তোষকের উপকরণ কাপড়, তুলা ও কারিগরের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় দাম একটু বেশি হচ্ছে। গত বছর ৪-৫ হাতের একটি লেপ ১১০০ হতে ১২০০ টাকা ও তোষক ২৩০০ হতে ২৪০০ টাকায় বিক্রি করেছিলাম। আর এ বছর ওই একই সাইজের লেপ ১৪০০ হতে ১৫০০ টাকা এবং তোষক ২৮০০ হতে ৩০০০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।
একই ধরনের কথা বলেন, নাভারণ বাজারের সৌখিন বস্ত্র বিতান এন্ড বেডিং সপ ও জনপ্রিয় গার্মেন্টস এন্ড বেডিং হাউজের মালিক এবং কারিগররা।
আরও পড়ুন: নিজেদের শুরুর ম্যাচে মাঠে নামছে জার্মানি ও ক্রোয়েশিয়া