কল্যাণ ডেস্ক
আওয়ামী লীগের পতনের পর রাজনীতিতে এখন একক খেলোয়াড় বিএনপি। তাই শক্তিশালী দল হিসেবে তাদের সাথেপাচে থেকেই ভোটের মাঠে নামতে আগ্রহী ছোট-বড় অন্যান্য দল। কারণ, জয় তুলে সংসদে যাওয়াই বেশির ভাগের লক্ষ্য। আর মিত্রদের টেনে তুলতে হাত প্রসারিত করছে বিএনপিও।
কিন্তু এবারের নির্বাচনে সহজ জয়ের পথে থেকেও কেন এই নীতিতে হাঁটছে বিএনপি—এমন প্রশ্নে দলটির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যরিস্টার কায়সার কামালের ভাষ্য, সবাইকে নিয়ে সরকার গঠনের পক্ষে বিএনপি হাইকমান্ড।
কায়সার কামাল বলেন, দেশটি আমাদের সবার। কে ছোট, কে বড় সেটি নয়, বরং যারা অপেক্ষাকৃত একটু ছোট বা দুর্বল, তাদের প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি এমপাওয়ামেন্টে (ক্ষমতায়ন) বিশ্বাসী। যে কারণে বিএনপি সবাইকে নিয়ে চলতে চায়। সেটার ধারাবহিকতায় এখন রিফ্লেকশনটা হচ্ছে।
বিএনপির বিপরীতে এবার শক্ত প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠার চেষ্টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। যদিও গুঞ্জন আছে ভেতরে-ভেতরে আসন সমঝোতার জন্য তারাও আলাপ চালাচ্ছে বিএনপির সঙ্গে। তবে, এমন কথা উড়িয়ে দিচ্ছে জামায়াত। দলটি মনে করে, সতন্ত্র আদর্শ ছাড়া কেবল জোটের সরল অংক খুব বেশি কাজে আসবে না এবারের নির্বাচনে।
জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, যখন আপনি দেশের স্বার্থ আর ব্যক্তি স্বার্থের মুখোমুখি হবেন, তখন বুঝতে পারবেন কে নিজেরটা রক্ষা করে আর কে দেশরটা রক্ষা করে। এই পরীক্ষায় জামায়াতের লোকজন অন্য অনেকের চেয়ে ভালো করবে। আমার ধারণা আগামী নির্বাচনে অনেকেরই পূর্বপরিকল্পনা বা পূর্ব থেকে ধারণা কোনোটিই ওয়ার্ক করবে না (কাজে আসবে না)। এখানে হয়তো খুব বড় একটি পরিবর্তন আসবে। এমন কিছুও হতে পারে, যা আমরা কেউ ভাবিনি।
তবে ভোটের মাঠে জোটের দাপট যতই থাকুক সবার জন্য লেভেল প্লেইং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবিতে দ্বিমত মত নেই বড় দুই দলের।
আরও পড়ুন: জুলাই সনদ নিয়ে অচলাবস্থার যেন শেষ নেই
