নারায়ণগঞ্জে একটি খবর প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে সন্ত্রাসীরা শতাধিক মোটরসাইকেলে শহরে মহড়া দিয়ে ওই পত্রিকা অফিসে হামলা করে। তারা কর্মরতদের হত্যাসহ নানা ধরনের হুমকি দেয় এবং ভাঙচুর ও লুটপাট করে।
গণমাধ্যম সে প্রিন্ট হোক বা ইলেক্ট্রনিক, যাদের অক্লান্ত শ্রমে প্রতিদিন আলোকিত হয়ে পাঠকের সামনে হাজির হয় তারাই সাংবাদিক। ব্যাপক সংখ্যক পাঠক প্রতিদিন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন সেই সংবাদ পড়ার জন্য। সংবাদ মাধ্যমকে জাতির দর্পণ বলা হয়। সেই দর্পণটি যারা আলোকিত করেন সেই সাংবাদিকরা কি এতই অপাংতেয় যে তাদের ওপর এভাবে হামলার শিকার হতে হবে। সেখানে হতাহতের ঘটনা বা কারো ওপর দৈহিক নির্যাতন করা না হলেও বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকদের জীবন দিতে হয় সন্ত্রাাসীদের হাতে। হামলার শিকার শুধু নরায়ণগঞ্জের সাংবাদিক বা সংবাদপত্র নয়, দেশ জুড়ে মিডিয়া কর্মীরা এভাবে হামলা ও হত্যার শিকার হচ্ছেন। গণমাধ্যমে তার চিত্র পাওয়া যায়। কিন্তু এর প্রতিকার নেই। এজন্য দুর্বৃত্তরা বুঝে নিয়েছে সাংবাদিকরা এমন এক প্রাণি যাদের মারলে কাটলে কোন সমস্যা নেই। এজন্য তারা নির্ভয়ে তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে, হত্যা করছে।
সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যার এক পরিসংখ্যান তুলে ধরেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন । গত ১২ বছরে সারা দেশে ৪১ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। দুঃখজনক বিষয় হলো সাংবাদিক হত্যার ঘটনায় মামলা হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তার কোন কিনারা হচ্ছে না। সাগর-রুনি হত্যা মামলা, যশোরের শামসুর রহমান হত্যা মামলা তার জ্বলন্ত দৃষ্টান্তু। যে সাংবাদিকদের অক্লান্ত শ্রমে দেশ ও জাতির প্রতিদিনকার সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, আবেগ-উচ্ছ্বাস,অন্যায়-অবিচার, ভালো-মন্দ সব কিছুর চিত্র ফুটে ওঠে সেই সাংবাদিকদের এমন নিরাপত্তাহীনতায় রাখা সমীচিন নয়।
সর্বশেষ
- প্রেসক্লাব যশোরে ফের বড় ধাক্কা
- শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল
- যশোরে আওয়ামী লীগের ব্যানারে বিক্ষোভের অভিযোগে মামলা, আসামি ১১৩
- সরকারি রাস্তা ছিল ২২ ফুট, দখলে এখন ৭ ফুট—নেপথ্যে কবির-খায়েরুল চক্র!
- প্রেসক্লাব যশোরের আহ্বায়ক পদ থেকে একরাম-উদ-দ্দৌলার পদত্যাগ
- শরীরে, গাড়িতে, পকেটে স্বর্ণ যাচ্ছে সীমান্তে
- ঝিনাইদহে কয়েক ঘণ্টায় সড়ক, বিদ্যুৎ ও রেল দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ ৫ জনের মৃত্যু
- গুদামে সার, মাঠে সংকট