নিজস্ব প্রতিবেদক
ওরা তিন তরুণ শিক্ষার্থী। চলতি বছর বাইসাইকেলে দেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করতে চান। ইতিমধ্যে নিজের জেলাসহ আটটি জেলা পরিদর্শন করেছে ভ্রমণপ্রিয় ওই তিন তরুণ। বৃহস্পতিবার তারা যশোরের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখেন।
বলছিলাম রাজবাড়ি জেলার তিন তরুণ শিক্ষার্থীর কথা। এরা হলেন- খোকসা সরকারি কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা শাখার দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আল আমিন হোসেন (১৯), পাংশা উপজেলার কলিমহর খলিল উদ্দিন মিয়া দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্র আবদুল কাদের (১৭) এবং একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একই শ্রেণির ছাত্র জিম বিশ্বাস (১৭)।
আবদুল কাদের জানান, ফেসবুকে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ছবি দেখে বিমোহিত হয়ে তারা বাইসাইকেল চালিয়ে বাংলাদেশ ঘুরে দেখার প্রত্যয় নেন। গত ৮ জানুয়ারি প্রথম শুরু করেন কুষ্টিয়া জেলা দিয়ে। ইতিমধ্যে তারা ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, মাগুরা, ফরিদপুর ও নড়াইল জেলা পরিদর্শন করেছেন। আর বুধবার আসেন যশোরে। এদিন শহরের শতবছরের কালেক্টরেট ভবন ও জেলা পরিষদ ভবন, শীবমন্দির, ভৈরব নদ পার্ক, বিলহরিণা, বিমানবন্দরসহ দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখেন। এদিন তারা রাত্রিযাপন করেন শহরের রেলগেট এলাকার হোটেল শাহরিয়াতে। বৃহস্পতিবার সকালে তারা বেরিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ‘যশোর রোড’ (যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক) দেখার জন্য।
ভ্রমণপিপাসু আল আমিন হোসেন জানান, ফেসবুকে কালেক্টরেট ভবন, ‘যশোর রোড’, ফুলের রাজ্য গদখালীসহ যশোরের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের ছবি দেখেছি। সেগুলো সরাসরি দেখার জন্য আমরা যশোর এসেছি। এগুলো বাস্তবে দেখে অভিভূত হয়েছি। বেনাপোল সীমান্ত চেকপোস্ট ছিল আমাদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ। জীবনে এই প্রথম সীমান্তে আসলাম।
জিম বিশ্বাস জানান, তারা পড়াশুনার পাশাপাশি বাংলাদেশ ঘুরে দেখার ইচ্ছা রয়েছে। চলতি বছরই বাইসাইকেলে দেশের ৬৪ জেলার দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করার আশা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যশোরের মানুষ খুব অতিথি প্রিয়। খুব ভালো মানুষ। তবে ভ্রমণকারীদের জন্য একসময় জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে ডরমেটরি বা ডাকবাংলোতে থাকার ব্যবস্থা করা হতো। এখন সেই ব্যবস্থা আর নেই। এরফলে একটু নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে।
