নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা তৌহিদ চাকলাদার ফন্টুর বিরুদ্ধে কোটি টাকার চেক ডিজঅনারের অভিযোগে আদালতে পৃথক দু’টি মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার কমার্শিয়াল ব্যাংকের পক্ষে যশোর শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মুর্তুজা আহম্মেদ এই মামলা দু’টি করেন। বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শান্তনু কুমার মন্ডল মামলা দু’টি আমলে নিয়ে আসামির প্রতি সমনজারির আদেশ দিয়েছেন। আসামি তৌহিদ চাকলাদার ফন্টু শহরের পুরাতন কসবা কাঁঠালতলার মৃত আব্দুল কাদের চাকলাদারের ছেলে।
বাদী একটি মামলায় উল্লেখ করেছেন, ফন্টু চাকলাদার মেসার্স ভৈরব মৎস্য খামার নামের একটি প্রতিষ্ঠানের নামে লোন নেন। এই লোন পরিশোধের জন্য লোনের বিপরীতে দেওয়া ৪০ লাখ টাকার একটি ব্যাংক চেক গত ২০ আগস্ট নগদায়নের জন্য যশোর শহরের এমকে রোডের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক শাখায় জমা দেয়া হয়। কিন্তু তার হিসাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে টাকা না থাকায় তা ডিজঅনার হয়। পরবর্তীতে ২৬ আগস্ট তাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশ পাওয়ার পর ৩০ দিন পার হলেও কোনো জবাব না দেয়ায় বাদী আদালতে মামলাটি করেন।
অপর একটি মামলায় একই ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার মুর্তুজা আহম্মেদ উল্লেখ করেন, একই প্রক্রিয়ায় তৌহিদ চাকলাদার ফন্টু হাসিনা ফিস ফিড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। ওই প্রতিষ্ঠানের নামে তিনি লোন নেন এবং তার বিপরীতে ব্যাংকে চেক দেন। গত ২০ আগস্ট ৫০ লাখ টাকার চেকটি শহরের এমকে রোডের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক শাখায় জমা করা হলে সেটিও পর্যাপ্ত পরিমানে টাকা না থাকায় ডিজঅনার হয়। এরপর ২৬ আগস্ট তাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলেও ৩০ দিন পার হওয়ার পরও কোনো জবাব না পাওয়ায় আদালতে আরও একটি মামলা করা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, বিচারক পৃথক দু’টি অভিযোগই আমলে নিয়েছেন। দুই মামলায় আসামি তৌহিদ চাকলাদার ফন্টুর বিরুদ্ধে সমনজারি করা হয়েছে এবং আগামী ১৭ মার্চ আদালতে তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
