নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের অন্যতম বৃহৎ উপজেলা যশোরের মণিরামপুর। এর সর্ব পশ্চিমে হরিহরনগর ইউনিয়ন। আগামী ১৭ জুলাই এ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। এজন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে। নৌকার টিকিট পেতে নবীন-প্রবীণ কয়েকজন চেষ্টা-তদ্বির চালিয়ে যাচ্ছেন। এ তালিকায় আছেন নারীও। চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসতে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন মহিলা নেত্রী ও নারী উদ্যোক্তা তহমিনা খাতুন। ইতোমধ্যে নিজেকে প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়ে ইউনিয়নের তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সরকারের উন্নয়নের নানা চিত্র প্রচার করে বেড়াচ্ছেন। সকাল থেকে রাত অবধি বাড়ি-বাড়ি, হাটবাজারে মতবিনিময় করছেন। দলীয় মনোনয়ন পেলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে স্মার্ট ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন দেখছেন আওয়ামী লীগের এই নিবেদিত নেত্রী তহমিনা খাতুন।
তহমিনা খাতুন পারিবারিক ভাবেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বাবা ছাদের আলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি। ছাত্রজীবনে ছিলেন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ছিলেন ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক। দলের দুর্দিনে স্কুল জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি দৈনিক কল্যাণকে জানান, জন্মলগ্ন থেকে আমার পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বাবা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। পারিবারিকভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার কারণে আমিও ছাত্ররাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ি। নেতৃত্ব দিয়েছি ইউনিয়নে বিভিন্ন আন্দোলনে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে নারী নেতৃত্বের প্রসার ঘটাতে চাই। নির্বাচিত হয়ে এলাকার মানুষের সুখ দুঃখের সাথী হতে চাই। ইউনিয়কে স্মার্ট ইউনিয়নে রূপান্তিত করতে চাই। নিজে নারী উদ্যোক্তা হওয়াতে নারীদের উন্নয়নে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করবো। নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতেও উদ্যোগ নিবেন বলে জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, আগামি ১৭ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে হরিহরনগর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। এর আগে ১৮ জুন যশোর রির্টানিং অফিসারের কাছে মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন। ১৯ জুন মনোনয়ন যাচাই-বাছাই। ২৫ জুন প্রার্থীতা প্রত্যাহার।
