ইছালী ইউনিয়নে গণসংযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
উন্নয়ন ও পরিবর্তনের স্বার্থে আবারও ধানের শীষে আস্থা রাখতে চান যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নবাসী। স্থানীয়দের মতে, অতীতে যতবার তারা ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন, ততবারই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও বিদ্যুৎসহ দৃশ্যমান উন্নয়নের সুফল পেয়েছেন।
সোমবার দিনব্যাপী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ইছালী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও বাজারে গণসংযোগ করেন। এ সময় ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ ফুল ছিটিয়ে তাকে স্বাগত জানান এবং একাধিক পথসভায় তাদের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন। এলাকাবাসী বলেন, সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের সময়ে যেসব উন্নয়ন হয়েছিল, গত ১৭ বছরে সেগুলোর অধিকাংশই সংস্কারের অভাবে নষ্ট হয়ে গেছে।
কয়েতখালী গ্রামের বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম বলেন, তরিকুল ইসলাম এই গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ ও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। একই গ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বী দুলালী রানী বলেন, মন্দির নির্মাণে তরিকুল ইসলাম সহায়তা করেছিলেন, এরপর আর কেউ পাশে দাঁড়ায়নি।
জোত রহিমপুর গ্রামের আফজাল হোসেন বলেন, তরিকুল ইসলাম এলাকায় সংযোগ সেতু, বিদ্যালয় ভবন ও গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ করেছিলেন। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে তারা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।
এ সময় অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, জনগণের ভোটের মাধ্যমেই তার পিতা তরিকুল ইসলাম এমপি ও মন্ত্রী হয়ে এলাকার উন্নয়ন করেছিলেন। ভোটবিহীন জনপ্রতিনিধিদের কারণে গত ১৭ বছর ইছালী ইউনিয়ন অবহেলিত ছিল দাবি করে তিনি নির্বাচিত হলে পিতার অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি সন্ত্রাস ও অনিয়মমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার আশ্বাস দেন তিনি।
হাশিমপুর বাজারে প্রয়াত নেতাকর্মীদের স্মরণে দোয়া ও মুনাজাতের মধ্য দিয়ে গণসংযোগ শুরু হয়। দিনভর তিনি মনোহরপুর, হুদার মোড়, রাজাপুর, গাওঘরা, পাচবাড়িয়া, এনায়েতপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখেন।
গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যাপক আব্দার হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক আঞ্জুরুল হক খোকন, ঢাবি ফোরাম যশোরের সভাপতি সাইফুল্লাহ খালিদ, সাধারণ সম্পাদক আশফাকুজ্জামান খান রনি,ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক মাহমুদুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান লিটন প্রমুখ।
