নিজস্ব প্রতিবেদক
স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি, আলোচনা সভা, মশাল প্রজ্বালনসহ নানা কর্মসূচিতে যশোরে উদীচীর সম্মেলনে বোমা হামলায় নিহতদের স্মরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এসব কর্মসূচি থেকে নতুন করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়।
‘এসো প্রতিবাদী, এসো সংগ্রামী, বলো হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’ এ স্লোগানে নানা কর্মসূচি পালন করেছে যশোর উদীচী। গতকাল সকালে টাউন হল ময়দান অনুষ্ঠানস্থলে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উদীচীর নেতৃবৃন্দ, অক্ষর শিশু শিক্ষালয়, কিংশুক সঙ্গীত শিক্ষা কেন্দ্র, সুরধুনী, বিবর্তন, সুরবিতান, তির্যক, চাঁদের হাট, রাজনৈতিক সংগঠন জাসদসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীবৃন্দ। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে সংগঠনের নিজস্ব মিলনায়তনে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উদীচী সভাপতি অ্যাডভোকেট আমিনুর রহমান হিরু। ঘটনার স্মৃতিচারণ করেন উদীচী উপদেষ্টা অশোক রায়, খন্দকার আজিজুল হক মনি, সহ-সভাপতি খন্দকার রাজিবুল ইসলাম টিলন, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান খান বিপ্লব, সাংগঠনিক সম্পাদক সুকান্ত দাস, সাবেক সভাপতি সৌমেশ মুখার্জী, অক্ষর স্কুলের অধ্যক্ষ শৈলেশ কুমার রায়, বিবর্তন সভাপতি নওরোজ আলম খান চপল, তির্যক সভাপতি দীপংকর দাস রতনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এসব বক্তারা বলেন, পরিকল্পিতভাবেই উদীচী হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছিল। দীর্ঘ ২৬ বছরে একের পর এক সরকার পরিবর্তন হয়েছে, তবু উদীচী হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত হয়নি। বক্তারা নতুন করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে উদীচী হত্যাকা-ে দোষীদের বিচারের দাবি জানান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, উদীচীর অনুষ্ঠান সম্পাদক কাজী শাহেদ নওয়াজ ও সহ-সাধারণ সম্পাদক আসিফ আকবর নিপ্পন।
সন্ধ্যায় শহরের টাউন হল মাঠে মশাল প্রজ¦ালন করা হয়। এসময় উদীচীর উপদেষ্টা বীরমুক্তিযোদ্ধা একরাম-উদ দ্দৌলা, সভাপতি অ্যাডভোকেট আমিনুর রহমান হিরুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
