গৌরীঘোনা (কেশবপুর) প্রতিনিধি
লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কেশবপুর গৌরীঘোনা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য ও ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকোজ কুমার চক্রবর্তীকে (৪৪) মারপিট, ভয়ভীতি ও খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে তিনি এ অভিযোগ দেন। এ বিষয়ে কেশবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য ইউনিয়নের সন্ন্যাসগাছা গ্রামের মৃত অধীর চক্রবর্তীর ছেলে এবং একই গ্রামের সিদ্দিক গাজীর ছেলে আব্দুল আজিজ (৩২)।
রোববার সকালে গৌরীঘোনা বাজারস্থ আজিজের ফার্নিচারের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, লেনদেন সংক্রান্ত কারণে আজিজ ও পংকজ চক্রবর্তীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। বিরোধের জের ধরে রোববার সকালে গৌরীঘোনা বাজারস্থ আজিজের ফার্নিচারের দোকানের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আজিজ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে পংকজ চক্রবর্তীকে। এসময় প্রতিবাদ করায় আজিজ তাকে মারপিট করে এবং খুন জখমের হুমকি প্রদান করে। এসময় পংকজ চক্রবর্তীর ডাক-চিৎকারে বাজারে থাকা এসএম সফিকুল ইসলাম ও অনন্ত সিংহ তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।
পংকজ চক্রবর্তী বলেন, ‘আজিজের সাথে আমার লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের সূত্র ধরে আজিজ আমাকে মারপিট করার হুমকি দিয়ে আসছিল। রবিবার সকালে আটটার দিকে গৌরীঘোনা বাজারস্থ আজিজের ফার্নিচারের দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর আজিজ আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। ঐ সময় আমি প্রতিবাদ করলে আজিজ ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে এলোপাতাড়ীভাবে কিল, ঘুসি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলা জখম করে দিয়েছে, আমার ডাকচিৎকারে বাজারে থাকা শফিকুল ইসলাম অনন্ত সিংহসহ আরো অনেকে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে আমাকে মারপিটের হাত থেকে উদ্ধার করে। উদ্ধার হয়ে আমি কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছি’।
কেশবপুর থানার অফিসার্স ইনর্চাজ (ওসি) জহিরুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী পংকজ কুমার চক্রবর্তী একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
