আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ, কেশবপুর
ভোগান্তি কমাতে কেশবপুর সোনালী ব্যাংকের শাখা স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন গ্রাহকরা । পৌর শহরের ত্রিমোহিনী মোড় সংলগ্ন কেশবপুর সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় সোনালী ব্যাংকের শাখা স্থাপন করে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা। ব্যস্ততম জায়গা হওয়ায় প্রতিদিন হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে এ এলাকায়। পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা না থাকায় সেবা নিতে এসে সাইকেল-মোটরসাইকেল রাখতে বিড়ম্বনার শিকার হওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন গ্রাহকরা। রাষ্ট্রীয় মালীকানাধীন এ ব্যাংকের সেবার মান অক্ষুন্ন রেখে গ্রাহক অনুসারে পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন সেবা প্রত্যাশীরা। স্থান সংকুলান না হওয়ায় পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা করা অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষরা।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশন ও অবসরভাতা প্রদান, সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদান, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের বিল গ্রহণ, সরকারি রাজস্ব আদায় কার্যক্রম, হজ ও জাকাত ফান্ডের অর্থ গ্রহণসহ সামাজিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে আপামর জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করে আসছে। এসব সেবা নিতে প্রতিদিন হাজারো মানুষ কেশবপুর সোনালী ব্যাংকে আসেন। পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা না থাকায় তাদেরকে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। গত ১ বছরে প্রায় ১০ গ্রাহকের সাইকেল-মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে। একাধিক গ্রাহকরা সোনালী ব্যাংকের কেশবপুর শাখায় পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা চালুর দাবি করেন।
গ্রাহক আবু হাসান রনি বলেন, প্রায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থানে টাকা পাঠাতে ব্যাংকে যেতে হয়। কিন্তু সেখানে পর্যাপ্ত পার্কিং না থাকায় মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। গ্রাহকের সুবিধার্থে পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা রয়েছে এমন স্থানে ব্যাংকের শাখা স্থানান্তরের দাবি করেন তিনি। অপর গ্রাহক আব্দুল করিম বলেন, এমন কিছু সরকারি সেবা রয়েছে যেটা নিতে সোনালী ব্যাংকে আসতেই হয় চাইলেও অন্য ব্যাংকে যেতে পারছিনা। পর্যাপ্ত পার্কিং না থাকায় বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। দীর্ঘদিন ধরে এমন ভোগান্তি পোহালেও কর্র্তৃপক্ষ দেখেও না দেখার ভান করে রয়েছেন। ব্যবসায়ী আবু হাসান রনি, আবুল কালাম আজাদ, শহিদুল ইসলামসহ শতাধিক গ্রাহক এই ব্যাংকের শাখা স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংক কেশবপুর শাখার ম্যানেজার ফারুকুজ্জামান বলেন, গলির মধ্যে গ্রাহকের সাইকেল ও মোটরসাইকেল রাখার ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না হলেও রয়েছে। স্থান সংকুলান হওয়ায় পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা করা অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে। এ শাখাটি কেশবপুরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হওয়ায় অন্য কোথাও শাখা স্থানান্তর করা কঠিন।
