নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরে ছোট ভাই কোরবান পচা (৪২) হত্যা মামলার সাক্ষি হওয়ায় মেজভাই আলমকে (৪৮) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আলমকে হত্যার আগে আসামিরা মামলা তুলে নিতে বলে ও সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য হুমকি দেয়। আসামিদের কথা না শোনায় পরিকল্পিতভাবে আলমকে হত্যা করা হয়।
নিহত আলম ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। আলমের ছোট ভাই মুরাদ (৩৮) সোমবার রাতে দায়েরকৃত হত্যা মামলায় এ কথা উল্লেখ করেন। মামলায় ৭ জনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলো পুরাতন কসবা কাজীপাড়ার আমিরুল (৩৮), সোহাগ (২৭) ও সোহান (২৫), আইজুল (২২), বাবলু (২৪), কাজীপাড়া তেঁতুলতলার রনি (২৫) ও শহরতলীর খোলাডাঙ্গার পিয়ারুজ্জামান ওরফে পিরু (৩৫)।
মামলায় মুরাদ বলেছেন, তার মেজ ভাই আলম ইজিবাইক ব্যবসায়ী। গত ১ বছর আগে তার অপর ভাই কোরবান আলী পচাকে আসামি আমিরুল ও পিয়ারুজ্জামান পিরুসহ সহযোগী আসামিরা হত্যা করে।
পচা হত্যার ঘটনায় কোতোয়ালি মামলা হয়। মামলায় বাদি মুরাদের মেজভাই আলম সাক্ষি হয়। এতে আসামিরা ক্ষুব্ধ হয়। আলমকে আসামিরা সাক্ষ্য দিতে নিষেধ করে ও মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দেয়। আসামিদের কথা না শোনায় আলমকে খুন জখম করার জন্য সুযোগ খুঁজতে থাকে। ২৪ মার্চ দুপুরে আলম পুরাতন কসবা কাজিপাড়ায় পেয়ে গাছি দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। আলমকে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৭ মার্চ সকাল পৌনে ৮ টায় তিনি মারা যান।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই সালাউদ্দিন খান জানান, মামলার আসামিদের এখনো আটক করতে পারেননি।