নিজস্ব প্রতিবেদক
২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকার নয়াপল্টনে মহাসমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় মামলা হয়েছে। এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক অজ্ঞাতনামা ৫০০-৬০০ আসামি করা হয়েছে। আসামির তালিকায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার যশোরের বাসিন্দা পিযূষ কান্তি ভট্টাচার্য্যর নাম রয়েছে। তিনি দীর্ঘ চার-পাঁচ বছর শয্যাশায়ী।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির মহাসমাবেশ ছিলো। ওই সমাবেশকে পণ্ড করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার উপদেষ্টা, এমপি, মন্ত্রী, উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, পুলিশ কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগসহ তাদের সহযোগি অন্যান্য সংগঠনের নেতাকর্মীরা নানা ধরণের ষড়যন্ত্র শুরু করে। তারই অংশ হিসেবে ওইদিন বিকেল তিনটা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বিএনপি অফিসে হামলা চালিয়ে ভাংচুর, লুটপাট, বোমার বিস্ফোরণ করে অনেক নেতাকর্মীকে আহত করা হয়। ফলে এই ঘটনার প্রায় দুই বছর পরে ঢাকার নয়াপল্টন থানায় মামলা করেন বিএনপির কর্মী লালমণিরহাটের আদিতমারী উপজেলার চরিতাবাড়ি গ্রামের মাহফুজার রহমান।
এমামলার ১৩ নং আসামি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার যশোরের বাসিন্দা পিযূষ কান্তি ভট্টাচার্য্য। দীর্ঘ পাঁচটি বছর ধরে তিনি অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে রয়েছেন। সভা-সমাবেশ তো দূরের কথা বাইরেই বের হন না। তার নামটা থাকা অনেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। অবশ্য এই মামলায় সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদার, সাবেক এমপি রণজিত রায়, বেনাপোলের মোহাম্মদ আলী ও আজিম উদ্দিন গাজীও আসামির তালিকায় রয়েছেন। এরমধ্যে শাহীন চাকলাদার, সাবেক এমপি রণজিত রায় যশোরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। অন্য দুইজন অনেকটা অপরিচিত।
