নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে নিরীহ মানুষকে মারপিটের প্রতিবাদ করায় সন্ত্রাসীরা শহরের ধর্মতলা কাঁচাবাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক গাজী মাসাদুর রহমান টিটোকে মারপিট ও কুপিয়ে জখম করে। এ অভিযোগে ভুক্তভোগী টিটো কোতোয়ালি থানায় ১২জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২ জনের নামে মামলা করেছেন। আহত টিটো খোলাডাঙ্গা এলাকার মৃত আব্দুল গণি গাজীর ছেলে। পুলিশ এই মামলার আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে একজনকে আটক করেছে। মামুন ধর্মতলা হ্যাচারিপাড়ার আছাদুজ্জামান আছাদের ছেলে।
এই মামলার পলাতক আসামিরা হলো, স্টেডিয়াম পাড়ার রুহুল আমিনের ছেলে বিল্লাল হোসেন ওরফে ভাগ্নে বিল্লাল (২৫), মৃত মোমিন পালোয়ানের ছেলে বাবু (৩৪), আব্দুল বারেকের ছেলে রনি (২৪), একই এলাকার সাগর (২৫), খোলাডাঙ্গা ধর্মতলা হ্যাচারিপাড়ার সুমন ওরফে মেছো সুমন (২৪), তুষার ইয়াছিন (২৬), শাহ আলমের ছেলে নাজু (২৭), আনোয়ার হোসেনের ছেলে সুমন হোসেন (৩০), আরবপুর মাঠপাড়ার মধুর ছেলে ডাবলু (২৪), ধর্মতলা কাঁচাবাজারের পেছনের আমিনুরের ছেলে নেপু সোহাগ (২০) এবং ধর্মতলা হ্যাচারিপাড়ার আবুল ফজলের ছেলে পটলা সুজন (২৫)।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২২ মার্চ সন্ধ্যা ৭টার দিকে অভিযুক্তরা ধর্মতলা বাজারে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তিকে মারপিট করছিলো। এ সময় তাদের নিষেধ করেন বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক টিটো। এতেই ক্ষিপ্ত হয় আসামিরা। সেখানে তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়। কিছু সময় পর সাড়ে ৭টার দিকে তিনি বাজারের নজরুল ইসলাম কসাইয়ের মাংসের দোকানে ছিলেন। এ সময় আসামিরা সেখানে এসে তাকে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে মাথায় কোপ মারে। তিনি ঠেকালে তার হাতের আঙ্গুল কেটে যায়। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। সে সময় তার ভাই তোতা ও লিটন গাজী এবং ভাগ্নে আবিদ ঠেকাতে গেলে তাদেরও মারপিট করে। তার কাছে থাকা ২০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোনসেট কেড়ে নেয়। দোকান ভাংচুর করে এক লাখ টাকার মতো ক্ষতি করে। আশেপাশের আরো লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা ফোনে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়।
