নেংগুড়াহাট প্রতিনিধি
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার ফসলের মাঠে সোনালী ধানের সমারহ। ফসলের মাঠে মাঠে দোল খাচ্ছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন ধানের শীষ। সবুজ ফসলের মাঠ এখন হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে। অপেক্ষা আর মাত্র ক’দিনের তারপরই ধান কেটে ফসল ঘরে তোলার উপযোগী হবে। এবার কৃষকরা বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন। এদিকে ধান কাটার আগমুহূর্তে ধানের শীষ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, এবছর নতুন জাতের ধান ব্রি-৮৯, ব্রি-৯২, উফসি-২৯ জাতের ধান রোপণ করা হয়েছে। এছাড়াও ব্রি-২৮, ২৯ জাতের ধান কৃষকের মাঠে দোল খাচ্ছে। মোবারকপুর গ্রামের মিলন বসু জানান, আমাদের মাঠে সব ধান ফুলে ঝাড়া দিয়েছে, আর মাত্র ক’দিন পরেই মাঠের অধিকাংশ ধান পাকতে শুরু করবে। এই ধানের শীষ দেখে মনে হয় এবার বাম্পার ফলন হবে। হানুয়ার গ্রামের সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের মাঠে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর বড় বড় ধানের শীষ দেখা যাচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে সমস্যা না হলে এবছর আশা করছি বাম্পার ফলন হবে। মোবারকপুর গ্রামের তাপস কুমার বসু জানান, আমার ধান অনেক ভাল হয়েছে। সামনে কালবৈশাখী ঝড়ে যদি কোন ক্ষতি না হয় তাহলে আমি বিঘাপ্রতি ৩৫ হতে ৩৬ মণ ধান পওয়ার আশা করছি।
এছাড়া উপজেলার রাজগঞ্জ এলাকার চালুয়াহাটি, মশ্মিমনগর, ঝাঁপা, হরিহরনগর, খেদাপাড়া, রোহিতাসহ সব এলাকার মাঠগুলোতে একই চিত্র। উপজেলার চালুয়াহাটি ইউনিয়নের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এসএম মারুফুল হক জানান, এবছর বড় ধরনের ঝড়, বৃষ্টি অথবা শিলাবৃষ্টি না হলে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। কাজেই কৃষক সঠিক সময় ফসল কেটে ঘরে তুলতে পারবেন বলে আশা করছি।
সর্বশেষ
- তরিকুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির দোয়া ও খাবার বিতরণ
- যশোরের মাটি ও মানুষের নেতা তরিকুল ইসলামকে স্মরণ
- ভাঙা পা নিয়ে বলেছিলেন, ‘তোর বাড়িতে থাকব’
- দাঁত উপড়ে নির্যাতন করা হয়েছে, তবু আদর্শের সঙ্গে আপস করেননি
- যশোরে আওয়ামী লীগ-যুবলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ৪৫ জন গ্রেপ্তার
- আড়াই কোটি টাকায় বদলে যাবে লালদীঘি
- জাপানের হাত ধরে বদলাবে অর্থনীতির চিত্র?
- যশোরে ৯৮ সার ডিলারের ৬৫ জন বিএনপির, বাদ পড়েছেন অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীরা
