নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোর শহরের শংকরপুরে ক্রয়কৃত জমিতে বাড়ি নির্মাণ করতে পারছেন না হালিমা খাতুন নামে এক নারী। ভুক্তভোগী হালিমা খাতুন শংকরপুর ইসহাক সড়কের রুস্তুম আলীর স্ত্রী।
ভুক্তভোগী নারী জানিয়েছেন, তিনি যশোরে জয়তী সোসাইটিতে চাকরি করেন। ২০০৫ সালে তিনি একটি জমি ক্রয় করেন। ওই জমিতে গত ১ মার্চ বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেন। কিন্তু এক জনপ্রতিনিধির নেতৃত্বে তাকে বাড়ি নির্মাণে বাধা দেয়া হয়। আবার গত ১৪ এপ্রিল বাড়ি নির্মাণের জন্য দিনমজুর আসে। ওইদিন দুপুর ১২টার দিকে নয়নের নেৃতত্বে একদল সন্ত্রাসী সেখানে যান। এসময় তাকে বাড়ি নির্মাণে বাধা দেন। কিন্তু বাধা দেয়ার কারণ জানতে চাইলে ওই নারী ও তার মেয়েকে মারপিট করা হয়। এসময় নারী চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ফের বাড়ি নির্মাণের চেষ্টা করা হলে হত্যার হুমকি ািদয়ে চলে যায়। এই ব্যাপারে ভুক্তভোগী হালিমা খাতুন কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দেন। সেই অভিযোগটি গত ৯দিনেও আলোর মুখ দেখেনি। অথচ জমিটির প্রতিবেশি আসাদুজ্জামান নামে এক ব্যক্তি পরদিন হালিমার নামে থানায় পাল্টা আরেকটি অভিযোগ দেন। ওই অভিযোগটির তদন্ত কর্মকর্তা চাঁচড়া ফাঁড়ি ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক আকিকুল ইসলাম। আকিকুল ইসলাম ১৬ এপ্রিল হালিমা খাতুনকে ফাঁড়িতে ডেকে নিয়ে তার ক্রয়কৃত জমিতে বাড়ি নির্মাণ করতে নিষেধ করেন। ফলে একদিকে সন্ত্রাসীরা অন্যদিকে পুলিশ। দুইদিকের বাধায় সারা জীবনের স্বপ্ন একটি বাড়ি নির্মাণ এখন অন্ধকারে। এই ব্যাপারে ভুক্তভোগী হালিমা খাতুন উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এই ব্যাপারে চাঁচড়া ফাঁড়ি ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক আকিকুল ইসলাম বলেছেন, হালিমার প্রতিবেশি আসাদুজ্জামান ওই জামিতে বাড়ি নির্মাণে বাধা দেয়ার জন্য থানায় অভিযোগ করেছেন। সে মোতাবেক শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় ওই জমিতে এখন কেউ কোন স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না।