নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজের এমএলএসএস বাবুল আক্তার দুদুর কাছে পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজিকালে মানিক হোসেন নামে একজনকে আটক করেন স্থানীয়রা। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। শনিবার রাত ১২টার দিকে সদর উপজেলার বড় বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ঈদগাহ পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এই ব্যাপারে ভুক্তভোগী বাবুল আক্তার আটক মানিকসহ ৭জনের নাম উল্লেখ পূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন। আটক মানিক বড় বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের পশ্চিমপাড়ার আয়ুব আলীর ছেলে।
এই মামলার পলাতক অন্য আসামিরা হলো, বড় বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের পশ্চিমপাড়ার জামিরুল ইসলামের ছেলে ইয়াছিন হোসেন (২২), ইরফান হোসেনের ছেলে রাসেল হোসেন (২৩), আলম হোসেনের ছেলে ইমন হোসেন (২২), বাবুল হোসেনের ছেলে সবুজ হোসেন (২৫), একই গ্রামের কাজীপাড়ার হক কাজীর ছেলে সবুজ কাজী (২৪) এবং উপশহর এস ব্লক এলাকার সৈয়দ রওশান আলীর ছেলে সৈয়দ শামীম মেহেদী ওরফে খোড়া শামীম (৩৫)।
বাদী মামলার এজাহারে বলেছেন, রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে গত শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পরিবারের লোকজনসহ ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এরই মধ্যে আসামিরা পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করে। বলে ‘ভাই এই এলাকায় ওয়ারেন্টের আসামি ধরতে নতুন এসেছি। আপনি একটু সহযোগিতা করেন।’ তিনি সরল বিশ্বাসে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল (যশোর-ল-৪৬০৮) নিয়ে তাদের সাথে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তাকে নিয়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ছোট শেখহাটি গ্রামের শাহিনের মুদি দোকানের সামনে ব্রিজের ওপর দাঁড়ায়। সেখানে দাঁড়িয়ে তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তিনি তখন বুঝতে পারেন এই যুবকরা পুলিশের লোক নয়। তাকে মিথ্যা কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এসেছে। তিনি চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে আসামিরা তাকে বেদম পারপিট করে। তার পকেট থেকে দুইটি মোবাইল ফোনসেট কেড়ে নেয়। এরপরও টাকা না দিলে মোটরসাইকেলে নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তিনি চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা মোটরসাইকেল ফেলে দ্রুত চলে যায়। তবে এরই মধ্যে মানিক নামে একজনকে ধরে ফেলে স্থানীয় লোকজন। পরে পুলিশ ডেকে তাকে সোপর্দ করা হয়। এরপর পুলিশ রাতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পলাতক আসামিদের নাম পরিচয় জানতে পারে।