নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে স্বস্তি ফিরেছে ডিমের বাজারে। সরকার নির্ধারিত মূল্যে ডিম কিনতে পারছেন ভোক্তারা। গত ২১ অক্টোবর যশোরের জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে বাজার মনিটারিং কমিটির অভিযানের পর ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণে এসেছে। খুচরা পর্যায়ে ১১.৮৭ টাকায় ডিম কিনতে পারছেন ভোক্তারা। বুধবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানিয়েছেন সহকারী কমিশনার মাহির দায়ান আমিন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন শুধুমাত্র অভিযানে সীমাবদ্ধ থাকেনি। অভিযানের দিনই জেলা আইনশৃঙ্খলা কোর কমিটির বিশেষ সভা আহ্বান করা হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয় উৎপাদক ও বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের বেআইনি মুনাফালোভী পন্থা বন্ধ এবং জেলার বাইরে ডিমের পাচার ঠেকাতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বৃহৎ পরিসরে ডিম উৎপাদক প্রতিষ্ঠানসমূহ ‘উৎপাদক’ হিসেবে লাইসেন্স নিয়ে বাজারে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সরকারের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে খুচরা ও পাইকারি দরে ডিম বিক্রি করছে। যার ফলে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। একারণে গত ২১ অক্টোবর জেলার সকল পর্যায়ের উৎপাদক, পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন। এছাড়াও অবৈধ মজুতের উদ্দেশ্যে চাহিদাকে অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেখানো হচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সাথে প্রতিদিন ব্যবসায়ীরা সরকার নির্ধারিত দামে ডিম বিক্রি করছে কিনা বিষয়টি নজরদারির জন্য নিয়মিত বিক্রি রশিদ মনিটারিং অব্যাহত রয়েছে।
এবিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলান জানিয়েছেন, চাহিদার সমপরিমাণ বা তার চেয়ে বেশি উৎপাদিত পণ্যও এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। তারা বিভিন্ন কারসাজিতে আড়তদার এবং পাইকারি ব্যবসায়ীদের স্বার্থক্ষুণœ করে, যার সবশেষ প্রভাব পড়ে খুচরা পর্যায়ে। বাজারে ডিম, মসলার দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি কাঁচামরিচ ও অন্যান্য সবজি ও বিতরণের বাজারও আমাদের মনিটরিং অব্যাহত থাকবে।
