কল্যাণ রিপোর্ট: যশোর সদর ও কেশবপুরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে থাকবে চার স্তরের নিñিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সংঘাত-সংঘর্ষ মোকাবিলায় কঠোর অবস্থানে থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। ইতোমধ্যে উপজেলা দুটিতে টহলে নেমেছে পুলিশ। প্রস্তুত রয়েছে র্যাব, বিজিবি ও আনসার ব্যাটালিয়ন। নির্বাচনের আগের দিন থেকে পরদিন পর্যন্ত মাঠে থাকছে ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স। জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরাও নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন। অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য এ ধরণের প্রস্তুতি নিয়েছে যশোর জেলা প্রশাসন।
এরই মধ্যে উপজেলা দুটির ২৬টি ইউনিয়ন নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। টহল পুলিশের বাইরে ইউনিয়নগুলো কড়া নজরদারির মধ্যে রেখেছে সাদা পোশাকে আইন-প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা।
সোমবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টায় যশোর জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। এতে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা ও প্রার্থীরাও অংশ নেন।
যশোর জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান কল্যাণকে জানান, ৫ জানুয়ারি যশোর সদরের ১৫টি ও কেশবপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে মাঠে থাকবে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও আনসার ব্যাটালিয়ন। এর বাইরে থাকবে স্ট্রাইকিং ফোর্সও।