এম এ রাজা :
খেলোয়াড়ি জীবনকে বিদায় বলার পর কোচিংয়ে থিতু হয়েছেন যশোর জেলা দলের সাবেক নারী ফুটবলার মুসলিমা আক্তার মলি। ইতোমধ্যে যশোর জেলাসহ কয়েকটি দলের দায়িত্ব পালন করে সুনাম কুড়িয়েছেন। নতুন ক্যারিয়ারে স্বপ্ন; একদিন জাতীয় দলের কোচ হবেন।
সেই স্বপ্ন পূরণে প্রথম বাধা বেশ ভালভাবে উত্তরে গেছেন। সম্প্রতি বাফুফে-এফএসি আয়োজিত গোলকিপিং লেভেল-১ কোর্স সম্পন্ন করেছেন। তাতেই আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী গোলকিপার কোচের স্বীকৃতি মিলেছে মলির। ওই কোর্সে মলির সাথে বেশ কয়েকজন নারী অংশ নিলেও তারা উত্তীর্ণ হতে পারেনি। বুধবার দৈনিক কল্যাণকে নিজেই এই তথ্য দিয়েছেন যশোর শহরের পালবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মলি।
মলি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে নারী ফুটবল দল নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কোন পরিকল্পনা নেই। কোন টুর্নামেন্ট বা লিগের শুরুর কয়েকদিন আগে জোড়াতালি দিয়ে গড়া দলের কোচিং করাতে হয়। এছাড়া বেশির ভাগ সময় কোচিং করাতে হয় কোন পেমেন্ট ছাড়াই। এতে কোচ হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার ডেভেলপ করা কষ্টসাধ্য। এর মধ্যে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। স্বপ্ন দেখছি জাতীয় দলের কোচ হওয়ার।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় দল বা শীর্ষ পর্যায়ে কোচ হওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি কোচিং লাইসেন্স সম্পন্ন করতে হয়। লেভেল-১ কোর্স এরই প্রথম ধাপ।
২০০৭ সালে প্রয়াত সাচ্চু ওস্তাদের হাত ধরে ফুটবলে হাতে খড়ি হয় মলির। এরপর বিভিন্ন পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় দলের সুযোগ পান। তবে দীর্ঘ পাঁচ বছর জাতীয় দলের সাথে থাকলেও আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি। তবে ঘরোয়া ফুটবলে খেলেছেন শেখ জামাল, মোহামেডানসহ বেশ কয়েকটি ক্লাবে। এর মধ্যে শেখ জামালের লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পেছনে বড় অবদান ছিল তার।