নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সদর উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভায় সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের মূলমন্ত্র শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা ছাড়া কোন উন্নয়ন চিন্তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। বিভিন্ন সেক্টরে শেখ হাসিনার মাস্টারপ্লান পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে তাই দেশ এতো এগিয়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য, খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, বিদ্যুৎসহ অর্থনৈতিক সব সূচকই বেগমান হয়েছে। অর্থনৈতিক সূচকগুলো প্রতিবেশি প্রতিবেশি দেশগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের মাথাপিছু আয় ২৫০০ ডলারে উন্নীত হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে আগামী ’৪১ সালের মধ্যে জিডিপিতে সারাবিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান হবে ২৫তম। রোববার যশোর সদর উপজেলার হলরুমে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মুনিব লিংকনের সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জ্যোস্না আরা মিলি।
বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর আবু মাউদ, কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এম কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, সমাজসেবা কর্মকর্তা আশরাফুল আলম, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সোহেল হোসেন, আনসার ভিডিপি ব্যাংকের ম্যানেজার ফিরোজা খাতুন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন, আনসার কর্মকর্তা আনন্দ কুমার ঘোষ, সমবায় কর্মকর্তা রণজিত কুমার দাস, প্রকল্প কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ, উপজেলা প্রকৌশলী নাজমুল হুদা, বিআরবি কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা অঞ্জনা রানী ঘোষ, খাদ্য কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান আলীমুজ্জামান মিলন, ইউপি চেয়ারম্যান দাউদ হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান আবু সিদ্দিক, ইউপি চেয়ারম্যান মীর আরশেদ আলী রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ সোহরাব হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদৌসী ইয়াসমিন, ইউপি চেয়ারম্যান রাজু আহমেদ, ইউপি চেয়ারম্যান শামীম রেজা, ইউপি চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিটু, ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম রাসেল, ইউপি চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান ধাবক, ইউপি চেয়ারম্যান আনিচুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর তুহিন ও ইউপি চেয়ারম্যান মাহামুদ হাসান লাইফ।
এ সময় উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে কাজী নাবিল আহমেদকে ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। তার আগে কাজী নাবিল আহমেদ ৫ কোটি ৭ লাখ ৬৯ হাজার ৮৯৩ টাকা ব্যয়ে উপজেলা পরিষদের চারতলা বিশিষ্ট ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর করেন।
