নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার যশোরে মাসিক আইনশৃঙ্খার সভা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডা. বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শাহীন, ৪৯ বিজিবির সহকারী পরিচালক মেজর মো. সেলিমুজ্জামান, র্যাব-৬ এর যশোর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাকিব হোসেন, জেলা পিপি অ্যাডভোকেট ইদ্রিস আলী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মঞ্জুরুল হক, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা ফরিদ আহম্মেদ চৌধুরী, মণিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা খানম প্রমুখ।
সভায় জানানো হয়, যশোর সীমান্ত অঞ্চল দিয়ে সোনা ও মাদক চোরাচালন অব্যাহত রয়েছে। চোরাচালানিরা তাদের রুট পরিবর্তন করে কৌশল অবলম্বন করেছে। বর্তমানে বেনাপোলের পুটখালি ও মহেশপুর সীমান্ত এখন প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এদেরকে আটকে বিজিবি কাজ করছে। মাদকের সাথে জড়িত ব্যবসায়ীরা ভাগ হয়ে মাদকদ্রব্য আনছে। যেকারণে তারা ধরা পড়লেও সহজেই জামিন পেয়ে যাচ্ছেন।
সভায় শহরের যানজট নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। বলা হয় এতো বিপুল পরিমাণ ইজিবাইক ও অটোরিক্সা আসছে কোথা থেকে। শহরের ঈদগাহ মোড়, দড়াটানা, হাসপাতাল চত্বর, চৌরাস্তা, সোনালী ব্যাংক মোড়, মনিহার এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আগামীতে শহর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। একই সাথে বক্তারা অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন বেশিরভাগ অভিভাবক তাদের স্কুল-কলেজগামী সন্তানদের মোটরসাইকেল দিয়ে দিচ্ছেন। তারা বেপরোয়া গতিতে চালাচ্ছে। এতে করে নিজেদের সন্তানকে তারা হুমকির মুখে ফেলছেন।
