রাজগঞ্জ প্রতিনিধি
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ অঞ্চলের চাষিরা এখন পাট ক্ষেত প্রস্তুতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। চৈত্র- বৈশাখ মাসে পাট বীজ বপন করার উপযুক্ত সময়। কৃষক জমি তৈরি করে বৃষ্টির অপেক্ষায় দিন পার করছেন। অনেকে সময় মতো বৃষ্টি না হওয়াতে বিকল্প পথে পানি সেচের মাধ্যমে চাষাবাদ করছেন তারা। বিগত বছর গুলোতে পাটের ফলন ভালো হওয়ায় এবং দাম ভালো পাওয়াতে কৃষক পাট চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।
উপজেলা চালুয়াহাটি ইউনিয়ন কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ১০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে চাষের প্রথমে বৃষ্টি না হওয়ায় কিছুটা সমস্যায় পড়েছে কৃষকরা।
মণিরামপুর উপজেলার চালুয়াহাটি ইউনিয়ন মোবারকপুর গ্রামের কৃষক আবুল কালাম বলেন, বৃষ্টির অপেক্ষা না করে সেচের মাধ্যমে এক বিঘা জমিতে পাটবীজ বপন করেছি। বিঘা প্রতি প্রায় ১০ হাজার টাকা পরিচর্যা করা ও সেচ কাজে ব্যয় করেছেন। ইতোমধ্যে তার পাটের চারা গজিয়েছে। তিনি আগাম পাট কেটে জমিতে ধান চাষ করবেন বলে জানান।
আরেক কৃষক মাহমুদুল ইসলাম বলেন, আগাম পাট চাষ না করলে পাটের ফলন ভালো হয় না। তাইতো সেচ খরচ হলেও পাটের ফলনে সেটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব। পাটের ফলন ভলো হলে প্রতি বিঘায় প্রায় ১০ থেকে ১২ মণ ফলন পাওয়া যাবে। আর সঠিক দাম পেলে প্রতি বিঘায় শুধু পাট বিক্রি করেই কৃষক লাভবান হবে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। তার সঙ্গে পাটখড়ির দাম যুক্ত করলে প্রতি বিঘায় এবার কৃষকের লাভ হবে ১৮ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা।
মণিরামপুর উপজেলা চালুয়াহাটি ইউনিয়ন কৃষি উপসহকারী মারুফুল হকও হাবিবুর রহমান বলেন, গত বছরের চেয়ে এবার পাটের উৎপাদন বেশি হবে আশা করা যায়। এবার চাষের প্রথমে বৃষ্টি না হওয়ায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে কৃষকদের। বাজারে কৃষক পাটের ন্যায্য মূল্য পাওয়ায় গত বছরের চেয়ে এবার বেশি জমিতে কৃষকরা চাষাবাদ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সর্বশেষ
- যুবলীগ নেতা ‘দাঁতাল বাবু’সহ দুইজন আটক
- রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল
- সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে : প্রতিমন্ত্রী অমিত
- আর্জেন্টিনার ‘জামাই’ হলেন রোনালদো
- এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেল জমজ দুই বোন সাবিহা ও সামিহা
- যশোরের যৌনপল্লিতে এইচআইভি ঝুঁকি বাড়লেও সুরক্ষায় ঘাটতি
- এক বছরেও মুছে যায়নি শূন্যতা : দৈনিক কল্যাণে আজও ফিরে আসে সাগরের স্মৃতি
- জাবির ট্র্যাজেডি : ২৪ প্রাণের মৃত্যুর বিচার আজও অধরা
