নাভারণ (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শায় আদালতে নালিশী জমি থেকে জোর র্প্বূক গাছ কর্তন করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় দুইজন আহত হয়েছে। কর্তনকৃত গাছ বিক্রি ও জমিতে ইটের প্রাচীর নির্মাণ করে প্রতিবেশীর যাতায়াতের পথ বন্ধ করাকালে বাঁধা দেয়ায় মহিলাসহ দুইজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এ ঘটনায় একই গ্রামের আক্তারুজ্জামান নামে এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তারা। এ ঘটনায় শার্শা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মতিয়ার রহমান। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের সোনাতনকাটি গ্রামে।
আহতরা হলেন, সোনাতনকাটি গ্রামের মতিয়ার রহমানের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন ও ছেলে সোহেল রানা। আহতরা ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গেছে, শার্শা উপজেলার সোনাতনকাটি গ্রামের মৃত মোবারক মোড়লের ছেলে মতিয়ার রহমানের সাথে তার প্রতিবেশী মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে বামুনিয়া সোনাতনকাটি বালিকা বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আক্তারুজ্জামানের বসতভিটার জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। আদালতে বিচারাধীন আছে যার কেস নং-৩৮৪। এ বিষয়টি বিচার কাজ আদালতে চলমান থাকা সত্ত্বেও গত ১৮ মার্চ দিনের বেলা স্কুল শিক্ষক আক্তারুজ্জামান সন্ত্রাসী বাহিনীর সহযোগিতা নিয়ে ওই জমি থেকে ৯টি বড় মেহগনি গাছ কর্তন করে বিক্রি করে দেয়। এ সময় মতিয়ার রহমান ও তার স্ত্রী এবং দুই ছেলে বাঁধা দিলে স্ত্রী ও এক ছেলেকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে তারা।
আহত সোহেল রানা জানান, আক্তার মাস্টার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ও তার এক আত্মীয় পুলিশের সাবেক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা হওয়ায় তাকে দিয়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে জোর পূর্বক জমি থেকে গাছ কেটে বিক্রি করেছে এবং ইটের প্রাচীন দিয়ে যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। বাঁধা দিতে গেলে সে রামদা দিয়ে কুপিয়ে আমাকে এবং আমার মাকে আহত করেছে।
এ ব্যাপার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক জানান, মতিয়ার আদালতে মামলা করেছে। বর্তমান যেটি চলমান রয়েছে। তাছাড়া ইউনিয়ন পরিষদেও একটি অভিযোগ হাতে পেয়েছি। সমাধান করার আগেই মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুন খান জানান, সোনাতনকাটি গ্রামের বিষয়টি আমি শুনেছি। এ সংক্রান্তে একটি অভিযোগ হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।