নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সদরের নরেন্দ্রপুর মোল্লাপাড়া গ্রামে এক স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার ওই নারী দুজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার আসামিরা হচ্ছে ওই গ্রামের মাসুদ (৩০) ও তার বোন সীমা খাতুন (২৫)।
ধর্ষণের শিকার ওই নারী মামলায় উল্লেখ করেছেন, আসামি ও তাদের বাড়ি পাশাপাশি। বাদির বিয়ের আগে আসামি প্রায় সময় ওই নারীকে উক্তত্ত করতো। একপর্যায়ে আসামি বাদিকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। আসামির প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বাদিকে কু প্রস্তাব দেয় ও বিভিন্নভাবে ক্ষতি করার ষড়যন্ত্র করতে থাকে। বাধ্য হয়ে বাদীর পিতা-মাতা তাকে সদরের চুড়ামনকাঠিতে ২০২১ সালে বিয়ে দেয়। বিয়ের পরও আসামিরা দুই ভাই-বোন মিলে বাদীকে বিয়ে করার জন্য প্রলোভন দেখায়। গত ১৮ ডিসেম্বর আসামি মাসুদ বাদিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে কাজি অফিসে নিয়ে গিয়ে স্বামীকে তালাক দেয়ায়। এরপর বাদীকে তার পিতার বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। পিতার বাড়ি অবস্থানকালে আসামি মাসুদ বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বাদীকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ও আসামির বাড়িতে নিয়ে মেলামেশা করে। বাদী আসামিকে বিয়ে করতে বললে আসামি বার বার সময় নেয়। সর্বশেষ গত বছর ৫ মার্চ সন্ধ্যায় আসামি সীমা খাতুনের সহায়তায় বাদিকে বিয়ের করার কথা বলে আসামি মাসুদ তার বসত ঘরে নিয়ে যায়। আসামি মাসুদ বাদীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে চায়। কিন্তু বাদি বিয়ে বহির্ভুত সম্পর্ক করতে রাজি না হওয়ায় আসামি মাসুদ তাকে ধর্ষণ করে। এরপর বাদী বিয়ের জন্য আসামি মাসুদের বাড়িতে অবস্থান করে। কিন্তু আসামিরা পরের দিন তাদের বাড়ি থেকে বাদিকে তাড়িয়ে দেয়। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার আপোষ মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে বাদি থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই সুপ্রভাত জানান, এ মামলার আসামি সীমা খাতুনকে ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে আটক করা হয়েছে। মাসুদকেও আটকের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।