এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলে ১৩টি স্থানে বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। গাবুরা ইউনিয়নের হরিশখালী বারিক কয়ালের বাড়ির সামনে, দৃষ্টিনন্দন, ৯ নং সোরা ক্লোজার, ৯ নং সোরা মজিদ মালির বাড়ি থেকে ছবেদ মালির বাড়ি পর্যন্ত, ৯ নং সোরা রাজ্জাক সরদারের বাড়ি থেকে হেনার বাড়ি পর্যন্ত, পার্শ্বেমারী আফতাব মোড়লের বাড়ির সামনে, নাপিতখালী আকবার মোড়লের বাড়ির সামনে, গাগড়াামারি কুদ্দুস কবিরাজের বাড়ির সামনে, চৌদ্দরশি মৎস্য আড়ৎ এর পূর্ব পাশে, নেবুবুনিয়া মসজিদ হতে সোহরাব গাজির বাড়ি পর্যন্ত, চাঁদনীমুখা নুরুজ্জামানের দোকান থেকে চাঁদনীমুখা বাজার পর্যন্ত, চাঁদনীমুখা ক্লোজার, খোলপেটুয়া রুস্তম শেখের বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত বেড়িবাঁধে ঝুঁকিপূর্ণ রয়ে গেছে।
এদিকে শ্যামনগর পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১৪৩ ও আশাশুনির ২৭ কিলোমিটারের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ, ২২ কিলোমিটারে মধ্যে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ১৮ কিলোমিটারে একটু বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে ১৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ সংস্কার হলেও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় রয়ে গেছে সংশয়!
অভিযোগ রয়েছে- বেড়িবাঁধের গোড়া থেকে মাটি নিয়ে ভেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে সংস্কার করা হয়। নদীর চরে থাকা ম্যানগ্রোভ কেটে সাবাড় করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলো। উপকূলে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে বেশিরভাগ এই ম্যানগ্রোভের জন্য দূর্বল হয়ে থাকে। তাই উপকূলের মানুষেরা ‘সুন্দরবন মায়ের মতন’ এমন প্রবাদ ব্যবহার করে থাকেন।
স্থানীয়রা বলেন, ‘সিডর, আইলা, বুলবুল, আম্পান, ইয়াস, সিত্রাংসহ প্রতি বছর এরকম সময় বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ হয়ে থাকে। এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। আমরা ঘূর্ণিঝড় বুলবুল ও আম্পানের ক্ষয়-ক্ষতি এখনো কাটিয়ে উঠতে পারিনি। এর মধ্যেই আবারও ঘূর্ণিঝড় মোখা আসার খবর জানতে পেরেছি। পানিউন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বেড়িবাঁধ সংস্কারে রয়ে গেছে ঝুঁকি। যে কোন মুহূর্তে ধস নামতে পারে বাঁধে। এই নিয়ে আতংকিত।’
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাকির হোসেনের তথ্য মতে, শ্যামনগর উপকূলে ১৪৩ ও আশাশুনির ২৭ কিলোমিটারের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ছিলো ২২ কিলোমিটার। ইতি মধ্যে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ১৮ কিলোমিটারের একটু বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ৪ কিলোমিটারের কাজ চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে যে স্থানগুলো ঝুঁকিপূর্ণ মনে হচ্ছে, সেই স্থানগুলো জিও ব্যাগ দিয়ে সাময়িক ভাবে রক্ষার চেষ্টা চলছে।
শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আক্তার হোসেন বলেন, আমরা ইতিমধ্যে ১৩টি জায়গা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছি। এবং পানিউন্নয়ন বোর্ডের কর্র্তৃপক্ষকে বিষয়টি দেখার নির্দেশ দিয়েছি।
সর্বশেষ
- নাতনিকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ, কুপিয়ে হত্যা নানাকে
- প্রেমের বিয়ে, চার মাসের সংসার, শেষে স্ত্রীর রক্তে রঞ্জিত ঘর
- যশোরে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘খোঁড়া কামরুল’ গ্রেপ্তার
- ঝুঁকিপূর্ণ পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি, আতঙ্কে বর্মণপাড়ার ১৩ পরিবার
- “ভয় পাবেন না”— হামলার শিকার ছাত্রনেতা রাশেদের পরিবারকে আশ্বাস প্রতিমন্ত্রী অমিতের
- যশোরে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী অনি আটক, উদ্ধার বিদেশি পিস্তল ও গুলি
- ‘লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাত ময়দান, হজের মূল আনুষ্ঠানিকতায় লাখো মুসল্লি
- জিমের পাশে প্রতিমন্ত্রী অমিত, ফিরতে চান সবুজ মাঠে
